ভারতে বিমানবাহিনীর উইং কমান্ডার অরভিন্দ সিং আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার দেশটির প্রায়াগরাজে বিমান বাহিনীর আবাসিক এলাকায় নিজের সরকারি বাসভবনে একটি ডাবল ব্যারেল বন্দুক দিয়ে নিজেকে গুলি করে আত্মহত্যা করেন অরভিন্দ।
বার্তা সংস্থা এনএনআইয়ের বরাত দিয়ে জিও নিউজের খবরে প্রকাশ, উইং কমান্ডার অরভিন্দ সিং সেন্ট্রাল এয়ারফোর্স কমান্ডের গণসংযোগ কর্মকর্তা ছিলেন।
তবে কী কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন, তা জানা সম্ভব হয়নি। কোনো সুইসাইড নোটও পায়নি পুলিশ।
তদন্তকারী কর্মকর্তা ধুমানজঞ্জ সন্দ্বীপ মিশ্রর বরাত দিয়ে ভারতীয় মিডিয়ার খবরে প্রকাশ, ৪৩ বছর বয়সী অরভিন্দ পরিবার ও চাকরি সংক্রান্ত জটিলতায় ভুগছিলেন।
প্রাথমিক তদন্তে তার স্ত্রী পূজা জানিয়েছেন, কর্মস্থলের কারণে অরভিন্দ মানসিক চাপে ছিলেন।
ঘটনাটি এমন সময় ঘটলো ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা চরমে। দুই পক্ষ থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের খবর পাওয়া যাচ্ছে।
আরো পড়ুন :
ভারতীয় দুই জঙ্গিবিমান গুলি করে ভূপাতিত করল পাকিস্তান, ১ পাইলট গ্রেফতার
পাকিস্তান বিমান বাহিনী পাল্টা হামলায় ভারতীয় বিমানবাহিনীর দুটি জঙ্গি বিমানকে গুলি করে ভূপাতিত করেছে। বুধবার দুই দেশের নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর এই হামলা চালিয়ে ভারতীয় বিমানবাহিনীর দুটি বিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে পাকিস্তান। এক দিন আগে ভারতীয় বিমান বাহিনীর হামলার জবাব দিতেই এই হামলা জানানো হয়েছে বলে পাকিস্তান দাবি করেছে।
ডন পত্রিকায় দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, এই হামলার একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল আমাদের আত্মরক্ষার অধিকার, ইচ্ছা আর সামর্থ্য প্রমাণ করা।
পাকিস্তান আইএসপিআরের ডিজি মেজর জেনারেল আসিফ গফুর হামলার কথা নিশ্চিত করে বলেন, পাকিস্তান বিমানবাহিনী এই হামলা চালিয়েছে।
তিনি বলেন, পাকিস্তান বিমানবাহিনী পাকিস্তানি আকাশসীমার ভেতরে দুটি ভারতীয় বিমান গুলি করে ভূপাতিত করেছে। একটি বিমান আজাদ কাশ্মিরের ভেতরে পরে, অপরটি নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে ভারত-অধিকৃত কাশ্মিরে ভূপাতিত হয়। ভারতীয় বিমানের একজন পাইলটকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পাকিস্তান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, পাকিস্তান অ-সামরিক টার্গেটে আঘাত হেনেছে, মানুষ হতাহত এড়িয়ে গেছে। অথচ ভারত নির্বিচারে মানুষ হত্যা করে চলেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ভারত তথাকথিত সন্ত্রাসী ব্যাঙ্কারে হামলা চালানোর কথা বলছে কোনো প্রমাণ না দিয়েই। আমরা প্রতিশোধ নিতে পারি। তবে আমরা ভারতকে শঅন্তির সুযোগ দিতে চাই।
গত মঙ্গলবার পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মুখপাত্র বলেন, প্রধানমন্ত্রী সবাইকে যেকোনো পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন। আমরা সবাই প্রস্তুত। এখন জবাবের জন্য ভারতের প্রস্তুত থাকার সময়।









