পূর্ব ইউরোপে ইউক্রেনকে ঘিরে উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে সম্মত হয়েছে ফ্রান্স ও ইউক্রেন।
শুক্রবার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লদিমির জেলেনেস্কির মধ্যে ফোনালাপে দুই নেতা এই সম্মতি জানান।
ফোনালাপে ম্যাক্রোঁ ও জেলেনেস্কি পরিস্থিতির উন্নতিতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় নিজেদের সন্তুষ্টির কথা জানান।
জেলেনেস্কি বলেন, ‘কূটনৈতিক প্রচেষ্টা যতদিন অব্যাহত থাকবে, ভবিষ্যতের উদ্বেগের ঝুঁকি ততোই কমে আসবে।’
অপরদিকে ফোনালাপে ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ইউক্রেনের প্রতি ফ্রান্সের পূর্ণ সমর্থনের কথা জানান।
আঞ্চলিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নরম্যান্ডি ফরম্যাটের অধীনে ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত মিনস্ক চুক্তি বাস্তবায়নের বিষয়ে অব্যাহত চেষ্টা চালানোর বিষয়ে ফোনালাপে একমত হন ম্যাক্রোঁ ও জেলেনেস্কি।
ইউক্রেন, রাশিয়া, ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে স্বাক্ষরিত এই চুক্তি অনুসারে ইউক্রেন-রাশিয়ার মধ্যে ওই সময় চলমান সংঘর্ষে অস্ত্রবিরতি কার্যকর হয়।
২০১৪ সালে ইউক্রেনে রুশপন্থী সরকারের পতনের পর রাশিয়া দেশটিতে আগ্রাসন চালিয়ে ক্রিমিয়া দখল করে নেয়। ওই সংঘর্ষ বন্ধে ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যস্থতায় ২০১৫ সালে বেলারুশের মিনস্কে ইউক্রেন ও রাশিয়া অস্ত্রবিরতি চুক্তি করে।
নতুন করে আবার সম্প্রতি ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়ার সৈন্য সমাবেশের ফলে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ইউক্রেনের অভিযোগ, দেশটির পূর্বাঞ্চলে কিয়েভের বিরুদ্ধে লড়াইরত রুশপন্থী বিদ্রোহী যোদ্ধাদের সহায়তার নামে ইউক্রেনে আগ্রাসনের প্রস্তুতি নিচ্ছে মস্কো।
অপরদিকে ইউক্রেনের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে রাশিয়া। দেশটি বলছে, সামরিক বাহিনীর মহড়ার অংশ হিসেবে ওই সৈন্য সমাবেশ করা হয়েছে।
সৈন্য সমাবেশের জেরে ইউক্রেন ও পশ্চিমা দেশগুলোর সাথে রাশিয়ার সম্পর্কে উত্তেজনা চলছে।
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি ও ফ্রান্স টোয়েন্টি ফোর








