বেলারুশে সেনা ও অস্ত্রের সমন্বয়ে দশ দিনের সামরিক মহড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে রাশিয়া। এ সেনা মহড়ার মাধ্যমে দেশটি তার সামরিক শক্তি প্রদর্শন করছে। কিন্তু বিষেশজ্ঞরা বলছেন, এ সামরিক মহড়ার মাধ্যমে ইউক্রেন ও পশ্চিমাদের একটি বার্তা দিতে চাচ্ছে রাশিয়া। আর এ বার্তাটি হলো, রাশিয়া সম্ভাব্য যুদ্ধের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের বর্ণনা অনুসারে, একটি সামরিক মহড়ার জন্য গত মধ্য জানুয়ারি থেকে বেলারুশে রাশিয়া তাদের সেনাবাহিনী ও যুদ্ধের সরঞ্জাম পাঠাচ্ছে। আশা করা হচ্ছে যে ‘অ্যালাইড রিসলভ’ নামের ওই রুশ সামরিক মহড়ায় ৩০ হাজার সেনা অংশ নিবে। এছাড়া, দু’ব্যটালিয়ন এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেপণাস্ত্র ও ১২টি সুখোই এসইউ-৩৫ যুদ্ধবিমান পাঠানো হয়েছে ওই সামরিক মহড়ায়।
ন্যাটো সামরিক জোট জানিয়েছে, শীতল যুদ্ধের পরে এবারই রাশিয়া কর্তৃক বেলারুশে বিশাল সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া ইউক্রেন সীমান্ত ও ক্রিমিয়া অঞ্চলে রাশিয়া তাদের এক লাখ সেনা মোতায়েন করেছে।
এ বিষয়ে ইউক্রেনের কূটনীতিক ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ আলেকজান্ডার খারা বলেন, ইউক্রেনের স্বল্প সম্পদের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে রাশিয়া সম্ভাব্য যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। রাশিয়া গোয়েন্দা তথ্যও সংগ্রহ করছে যাতে করে তারা জানতে পারে যে ইউক্রেন এখন রুশ সামরিক শক্তির বিপরীতে কতটা সেনা মোতায়েন করে এবং কিভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায়। এর মাধ্যমে ইউক্রেনকে একটি পরিষ্কার বার্তা দিতে চাচ্ছে রাশিয়া। আর এ বার্তাটি হলো, পশ্চিমারা যদি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের দাবি না মানেন তবে ইউক্রেনে সম্ভব্য আক্রমণের জন্য দেশটির সামরিক সক্ষমতা ও রাজনৈতিক ইচ্ছা আছে।
সূত্র : আল-জাজিরা








