নয়.

তিনি বললেন, ‘আমার বাবা সবসময় মানুষের জন্য কাজ করেছেন। বলতে গেলে, জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলতেন, ‘মানুষের উপকারের চেয়ে বড় কোনো ইবাদত নেই।’ তার কারণে আমাদের গ্রামে কোনো চুরি-ডাকাতি হতে পারত না।
আমরা তাকে বারবার সতর্ক করেছি। তিনি বলতেন, ‘ন্যায় পাথরের মতো। অন্যায় মাটির ঢ্যালার মতো। মাটির ঢ্যালা দিয়ে পাথরে আঘাত করলে ঢ্যালার অস্তিত্ব বিলীন হয়। পাথরের কিছু হয় না।’ এই চোর ডাকাতরা প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে এ কাজ করে থাকতে পারে। আবার অন্য কিছুও ঘটতে পারে। আমার কেন যেন মনে হয়-আমার বাবার মতো মানুষকে কেউ খুন করতে পারে না। তিনি আবার ফিরে আসবেন। আমাকে নাম ধরে ডাকবেন।’ তার কথায় সাবইন্সপেক্টর সাহেব মাথা চুলকালেন। তারও কি মনে হচ্ছে উনি জীবিত আছেন?
সাবইন্সপেক্টর সাহেব ভাবলেন, এই কালো পাহাড়ে অভিযান চালাতে হবে। হয়তো ডাকাত দল এখানেই ঘাপটি মেরে আছে। কালোপাহড়ে ভয়ে মানুষ ঢুকে না। এই সুযোগে ডাকাতরা ওখানে আশ্রয় নিয়েছে। তারাই গুম করে থাকতে পারে-আব্দুস শাকুর সাহেবকে। তিনি তার ফোর্স নিয়ে সকাল ১০টার দিকে পাহাড়ে ঢুকে গেলেন।
খাড়া পাহাড়ের খাদ বেয়ে এগিয়ে চলছে। কিছুদূর গিয়ে তারা হাঁপিয়ে উঠল। একটা নাম না জানা গাছের নিচে বসল। (চলবে)