সতের.
অনেক ভৌতিক গল্প প্রচলিত আছে- এই মন্দির নিয়ে। পারতপক্ষে কেউ ওদিকে যায় না। ডাকাতরা ওখানে আস্তানা গাড়তে পারে। আব্দুস শাকুর সাহেবের বড় ছেলে সোলায়মান থানায় বিষয়টা জানালেন।
আবার সেই সাবইন্সপেক্টর সাহেবকে দায়িত্ব দেয়া হলো, কোনো এক রাতে সেই মন্দিরে অভিযান পরিচালনা করার। এই পাহাড় নিয়ে তার মনে বড় ভয় আছে। তিনি মনে করেন, ওখানে অশরীরী প্রাণীর বাস। বড় রহস্যময় জায়গা। ভয় জাগানিয়া। তবুও তাকে অভিযান পরিচালনা করতে হবে। জীবন শুকনা তুলার মতো হালকা। দায়িত্ব পর্বতের চেয়েও ভারী। তিনি ভাবলেন, সামনের অমাবশ্যায় অভিযান পরিচালনা করবেন। আবার তিনি আটজন ফোর্স নিয়ে রওনা দিলেন সেই মন্দিরের দিকে। তারা সবাই মানসিকভাবে প্রস্তুত- অদ্ভুদ সব ঘটনা প্রত্যক্ষ করার জন্য। মন্দিরের কাছে যেতেই তারা অট্টহাসির শব্দ শুনতে পেলেন। সবাই কান খাড়া করলেন। মনে হচ্ছে অট্টহাসি হেসে অপহৃত কাউকে নির্যাতন করছে ডাকাতদল। এরকম দৃশ্য তারা সিনেমায় দেখেছে। একজন ফিসফিস করে বললেন, ‘স্যার, শব্দটা মন্দিরের পূর্বদিক থেকে আসছে। সাবইন্সপেক্টর সাহেব কণ্ঠ নিচে নামিয়ে বললেন, এটা মানুষের হাসি নয়। খাটাশ এরকম শব্দ করে। মনে হয় মানুষ হাসছে। (চলবে)
