(গত দিনের পর)
এই দেখো, চেহারা আমার হাড় জিরজিরে হয়ে গেছে। খেজানা ঘোড়াটির কাছে এগিয়ে যায়। তার পিঠে সহানুভূতির হাত বুলিয়ে দেয়।
নারীকণ্ঠি ঘোড়াটি বলল, আমাকে বাঁচাও হে রাজপুত্র।
খেজানা: কিভাবে তোমাকে বাঁচাবো নারীকণ্ঠি ঘোড়াটি?
নারীকণ্ঠি ঘোড়া ফারাসি: আমার বাঁধন খুলে দাও। আমাকে মুক্ত করো।
খেজানা: সেটা না হয় করলাম। কিন্তু তুমি মনুষ্যরূপ ফিরে পাবে কিভাবে?
ফারাসি: আগে তো আমাকে মুক্ত করো হে রাজপুত্র, তারপর না হয় বাকিটা ভাবা যাবে। সারাজীবন ঘোড়া হয়ে কাটিয়ে দেব, কিন্তু এই জাদুকরের অধীনে বন্দী থাকবো না। খেজানা ঘোড়ার রশি কেটে দিল। গলা থেকে মুক্ত করে দিলো রশি। তারপর ঘোড়ারূপী মানবকন্যা ফারাসি ও খেজানা বেরিয়ে এলো সেই কুঠুরি থেকে। একদিন, দুইদিন করে দিন চলে যেতে লাগলো। এখন তারা ভালো বন্ধু। নারীকণ্ঠি ঘোড়ার সাথে হেসে খেলে বেশ আনন্দেই দিন কাটতে লাগলো খেজানার। মাঝে মাঝে ঘোড়ার পিঠে চড়ে খেজানা চলে যেতো দূরে পাহাড়ের অন্য প্রান্তে। পথঘাট ও জনপথ ঘুরে ঘুরে বেশ মুখস্ত হয়ে যায় তাদের। (চলবে)