(গত দিনের পর)
ফারাসি ছুটছে তো ছুটছেই। ছুটতে ছুটতে দুপুর গড়িয়ে বিকেল, বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নেমে এলো। অবশেষে তারা পৌঁছে গেল জানজিবার শহরের উপকণ্ঠে। সেখানে সবুজ শ্যামল ছায়াময় একটি স্থান বেছে নিলো তারা। স্থানটি ফারাসিরও বেশ পছন্দ হলো। সেখানে মাটি খুঁড়ে একটি গর্ত করে দিলো খেজানা। সেই গর্তে ফারাসি তার গলধকরণ করা সব তরল সোনা উগরিয়ে বের করে দিলো। জ্বলজ্বলে তরল সোনায় ভরে গেল গর্তটি। খেজানা লতাপাতা ও গুল্ম দিয়ে ঢেকে দিলো গর্তের তরল সোনাকে। যাতে অন্য কেউ সহজে দেখতে না পায়।
এবার, খেজানা হঠাৎ ফারাসির বাম-পায়ের হাঁটুর একটু নিচে একটি চিমটি কেটে দিলো। আর সাথে সাথে ঘোড়ারূপি ফারাসি পরিপূর্ণ এক সুন্দরী রমণীতে পরিণত হলো। তার রূপে মুগ্ধ হয়ে অবাক দৃষ্টিতে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলো খেজানা। পরিশেষে বলল, এত সুন্দর রূপসী মেয়ে তুমি! আর তোমাকে কিনা এমন এক ঘোড়া বানিয়ে রেখেছিল ম্যাকাউই! খেজানার কথায় যেন কিছুটা লজ্জা পেল ফারাসি। বলল, চলো আমরা দু’জন এখানে একটি ঘর তৈরি করে ফেলি। সেই রাতে তারা দু’জন মিলে একটি কুঁড়েঘর তৈরি করে নিলো। (চলবে)