গত দিনের পর

এক দিন যায়, দু’দিন যায়, তিন দিনের দিন বিড়ালটি খানিকটা সুস্থ হয়ে ওঠে। সে তখন খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হেঁটে বেড়াতে পারে। এদিক ওদিক যেতে পারে। সেই রাতে গুদাম ঘরের ভেতরে একটি তেলের কুপি জ্বলছিল। কুপির মৃদু আলোয় বিড়ালের চোখে পড়ে একটি ইঁদুর। ইঁদুরটি কুপির আশপাশেই ঘুরঘুর করছিল। বিড়াল অসুস্থ, তাতে কী! ইঁদুর দেখলে কি আর বিড়ালের হুঁশ থাকে? ইঁদুরটাকে ধরতে বিড়ালটি তখন তিন পায়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে কুপির একেবারে কাছে চলে আসে। তারপর দেয় এক লাফ। এমনিতেই ল্যাংড়া পা, তার ওপর লম্ফ। ইঁদুরটাকে তো সে ধরতে পারল-ই না, উল্টো বিড়ালের গায়ের ধাক্কায় জ্বলন্ত কুপি গেল উল্টে। কুপির তেল ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ল গমের বস্তায়। বিড়ালের পায়ে বাঁধা ন্যাকড়াটিও ভিজে গেল কুপির তেলে। (চলবে)