চল্লিশ.
‘আমরা গুটি কতক ছায়া বিভিন্ন রাজ্যে ঘুরে ঘুরে দেখতে বেরিয়েছিলাম। ফেরার পথে তোমাকে দেখে খটকা লাগল বলে দাঁড়িয়ে গেলাম।’
‘তা তো বুঝলাম। কিন্তু আমার মাকে কি খুঁজে বের করা যাবে?’
‘তোমার মা মরে ছায়া হয়ে গেলে অবশ্যই থাকবে। যদিও ছায়াদের কোনো নাম পরিচয় থাকে না। তবু খুঁজে বের করা কোনো সমস্যা নয়। তবে না থাকলে সমস্যা। আমরা একবার পৃথিবী থেকে ফিরে আসা ছায়ারা তো আর পৃথিবীতে ফিরে গিয়ে তোমার মাকে খুঁজতে পারব না।’
‘তাহলে থাক তার দরকার নেই। আমি চাই না আমার মা ছায়া হয়ে তোমাদের সাথে ঘুরুক। পৃথিবীতে বেঁচে থাকুক এটাই আমি চাই, সে যেভাবে থাকুক। আচ্ছা, আমার ছায়াটার খবর কী? সে বেচারা যদি আমার সাথে না থেকে থাকে তাহলে গেল কই?’
পাশ থেকে কিশোরী মেয়েটা বলে ওঠে ‘মনে হয় আমাদের সাথে আমাদের রাজ্যে কোনোভাবে চলে এসেছে। তুমি এখানে চলে আসার সাথে সাথে ও তোমাকে ছেড়ে আমাদের রাজ্যে চলে গেছে। সেখানেই হয়তো একা একা ঘোরাঘুরি করছে আর তোমার কথা চিন্তা করছে।’
রিয়াজ একটু ইতস্তত করে বলবে না বলবে না করে বলে বসল ‘আচ্ছা মানুষ মরে গেলেই তবে তো ছায়ারাজ্যেও স্থায়ী বাসিন্দা হয়। তোমরা এলে কিভাবে?’
মেয়েটা মজা পাওয়া গলায় বলল, ‘কিভাবে আবার? মরে গিয়ে। আমি স্কুল থেকে ফিরছিলাম। মা আনতে গিয়েছিল। আমরা রিকশা করে ফিরছিলাম। এরকম সময় পিছন থেকে একটা বাস আমাদের ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে আমাদের ওপর দিয়ে চালিয়ে নিয়ে যায়। আর আমরা সোজা ছায়ারাজ্যে চলে আসি। খুব বেশি দিন হলো এখানে আসিনি। (চলবে)
চল্লিশ.‘আমরা গুটি কতক ছায়া বিভিন্ন রাজ্যে ঘুরে ঘুরে দেখতে বেরিয়েছিলাম। ফেরার পথে তোমাকে দেখে খটকা লাগল বলে দাঁড়িয়ে গেলাম।’‘তা তো বুঝলাম। কিন্তু আমার মাকে কি...
