পাহাড়ঘেরা ছোট্ট গ্রাম। গ্রামের মানুষগুলো গরিব, কিন্তু অসুখী নয়। পাহাড়ের ঢালুতে বাড়িঘরগুলো পাখির বাসার মতো। খড়কুটো দিয়ে তৈরি। এই খড়ের ঘরে যারা বাস করে, তাদের জীবন খুবই সহজ, খুবই সরল। লোভ নেই, লালসা নেই, প্রাচুর্যও নেই। দিন আনে দিন খায় তারা। একদিন কাজ করতে না পারলে পরের দিন না খেয়েই থাকতে হয় তাদের। কিন্তু সুখের অন্ত নেই তাদের। ছোট ছোট ঘরগুলো ঢেকে রয়েছে গাছের শীতল ছায়া, পাখির গানে। এভাবেই চলছে জীবন।
গ্রামটির অদূরে পাহাড়ের গা থেকে নেমে এসেছে ঝর্ণা। ঝর্ণার টলটলে পানির ধারা বয়ে চলেছে গ্রামটির পাশ দিয়ে। সেই পানির গা ছুঁয়ে উঠে এসেছে সুশীতল বাতাস। সেই শীতল স্পর্শে মানুষগুলোর মনও শীতল, শান্ত। তাদের মনে নেই কোনো উদ্বেগ, নেই উৎকণ্ঠা। নেই হিংসা, লোভ কিংবা লালসা। তারা সারা দিন কাজ করে, সারারাত ঘুম যায়। পৃথিবীর কোন কোণে কোন অঘটন ঘটে যাচ্ছে, সে সবের খবর নেই তাদের।
ওই গ্রামেরই এক বৃদ্ধ। অশীতিপর বৃদ্ধ। হাড় জিরজিরে শুকনো শরীর তার। বৃদ্ধের নাম ‘মিমি হেলে হেলে’। দাদা বা বড়দাদা বয়সের লোকদেরকে ভুটানিজরা এভাবেই ডাকে। মিমির বাড়িতে স্ত্রী ছাড়া সংসারে আর কেউ নেই। স্ত্রী ঘরদোরের কাজ করে। আর মিমি হেলে হেলে বাইরে মাঠে। দূর পাহাড়ের গায়ে ওঠে, ফসল ফলায়।
(চলবে)
পাহাড়ঘেরা ছোট্ট গ্রাম। গ্রামের মানুষগুলো গরিব, কিন্তু অসুখী নয়। পাহাড়ের ঢালুতে বাড়িঘরগুলো পাখির বাসার মতো। খড়কুটো দিয়ে তৈরি। এই খড়ের ঘরে যারা বাস করে, তাদের...
