(গত দিনের পর)

পাহাড়ের গায়ে কোদাল দিয়ে ক্ষেতের মাটি কোপায়, ধান বোনে, যব বোনে, আলু ফলায়। এভাবেই চলছে দুই বুড়ো-বুড়ির জীবন। এত অভাব অনটনের মাঝেও সুখের যেন অন্ত নেই তাদের।
একদিন সকাল বেলা। মিমি হেলে হেলে তার কোদাল নিয়ে চলে গেলেন পাহাড়ের গায়। মাটি কুপাতে হবে। শক্ত মাটি। কুপিয়ে কুপিয়ে নরম করতে হবে। তারপর বুনতে হবে ফসল। তা না হলে ফসল ফলে না। মিমি হেলে হেলে আলু চাষ করবেন। তাই পাহাড়ের গায়ের একটি অংশে তিনি মাটি কোপাতে লাগলেন। পাহাড়ের মাটি, খুবই শক্ত। কাজ করতে করতে এক সময় বৃদ্ধ হাঁপিয়ে ওঠেন। তার শরীর ক্লান্তিতে নুইয়ে পড়ে। কোদাল আর চলে না যেন।
হঠাৎ তার কোদালে শক্ত কিছুর কোপ লাগে। টুং করে শব্দ হয়।
মিমি হেলে হেলে প্রথমে অবাক হন। কী হতে পারে এটি ! কচ্ছপ? না অন্যকিছু? তিনি আরো দুই চারটি কোপ দেন। বেরিয়ে আসে জিনিসটি। সবুজাভ আলোয় জ্বলজ্বল করছে। বৃদ্ধের চোখ ছানাবড়া হয়ে যায়। এ যে মহামূল্যবান রতœ, ফিরোজা পাথর! সবুজ আভার বিচ্ছুরণ হচ্ছে ফিরোজা থেকে। তিনি আরো কিছুটা মাটি খোঁড়ার পর সবুজ রঙের পাথরটি আরো পরিষ্কার হয়।
(চলবে)