(গত দিনের পর)
লোকটি ভাবলেন, বৃদ্ধ মিমি পাগল হয়ে গেল নাকি? এমন অমূল্য ফিরোজার মূল্য তার জানা নেই? এই অমূল্য রত্নের কি কোনো তুল্য হয়? কোনো কিছুর সাথে কি এর বিনিময় চলে? তাও এই সামান্য একটি ঘোড়ার সাথে! তিনি বৃদ্ধকে বললেন, আমার সাথে মজা নিচ্ছো হে মিমি হেলে হেলে? এই বুড়ো বয়সেও তোমার মনের রস গেল না।
লোকটির কথা শুনে মিমি বললেন, তুমি কি ব্যবসা বুঝো না হে? বলি, তোমার ওই অকর্মা ঘোড়াটির সাথে আমার এই অমূল্য রত্নটার বিনিময় করবে?
বৃদ্ধের নিকট থেকে দ্বিতীয়বার ওই একই প্রস্তাব শুনে ঘোড়সওয়ার আর কাল ক্ষেপণ করলেন না। তিনি তার ঘোড়ার লাগামটি বৃদ্ধের হাতে তুলে দিলেন এবং বৃদ্ধের পিঠের চাঙ্গারীটি নিজের পিঠে তুলে নিলেন। এরপর অন্যদিকে হাঁটা শুরু করলেন।
এমন এক অমূল্য রত্ন পেয়ে ঘোড়াওয়ালা নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে ভাগ্যবান ও সুখী মানুষ মনে করলেন। নিজেকে তিনি বললেন, সবচেয়ে লাভবান বাণিজ্যটাই তুমি করলে আজ।
(চলবে)
(গত দিনের পর)লোকটি ভাবলেন, বৃদ্ধ মিমি পাগল হয়ে গেল নাকি? এমন অমূল্য ফিরোজার মূল্য তার জানা নেই? এই অমূল্য রত্নের কি কোনো তুল্য হয়? কোনো...
