পঁয়ষট্টি.
আর যদি তোমাদের দেশেও থাকে তাহলেও তিতলীর কাকা যেসব পরী তোমাদের দেশে যায় তাদের তোমার মায়ের কথা জানিয়ে খোঁজ লাগাতে পারে। মোটকথা, তোমার মায়ের জন্য আমরা সাধ্য মতো চেষ্টা করব। আমরা পরীরা অনেক অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারি।
তিতলী পরীর মায়ের ধারণাই ঠিক। তিতলী পরী ঘুরতে রিয়াজের দেশে গিয়েছিল। তাদের নিজেদের নজীবীন রাজ্য তারা সবাই ছোট বেলা থেকে ঘুরে ঘুরে হাতের তালুর মতো চেনা হয়ে যায় বলে ছুটি ছাটায় তারা মানুষের দেশে দেশে ঘুরে বেড়ায়। এজন্য এত পরীর আনাগোনা মানুষরাজ্যে। নিজের দেশকে এতটা চেনে বলেও নিজের দেশের জন্য রয়েছে পরীদের অসম্ভব মমতা। নিজের দেশকে যত চেনা যায় দেশের প্রতি ভালোবাসা ততই বাড়তে থাকে।
তিতলী পরী রিয়াজের দেশ থেকে ফিরে আসে পরদিন সকালে। রিয়াজ তখন ফলফলাদি দিয়ে সকালের নাস্তা সেরে আড়ম্বরহীন সাধাসিধে সাধারণ সাদা জামা প্যান্ট (এটাই স্কুলের পোশাক) পরে তিতলীর মায়ের সাথে স্কুলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
তিতলী তাদের কাছে এসে রিয়াজের দিকে তাকিয়ে বলল, তোমাদের দেশে গিয়ে সারারাত বেশ এডভেঞ্চার করে এসেছি। তুমি স্কুল থেকে ফিরে এসো তোমাকে সব শোনাব।
তিতলীর মা বলে তোর কাকাকে পেয়েছিস?
তিতলী মাথা নিচু করে বলে, হুঁ।
মা পরী বলে, আসবে না?
তিতলী পরী বলে, কিছু বলল না। হাবভাবে মনে হলো যেকোনো দিন চলে আসতে পারে। আবার ওখানে ভালো লেগে গেলে আর নাও আসতে পারে। (চলবে)
