আটষট্টি.

কিছু একাডেমিক শিক্ষা ছেলেমেয়েদের একত্রে দেয়া হলেও মেয়েদেও জন্য আলাদা বিষয়ভিত্তিক শিক্ষা আছে।
এই স্কুলে কৃষক থেকে শুরু করে রাজকার্যে সাহায্যকারীর ছেলেমেয়েরা একই সাথে পড়াশুনা করে। এখানে কাউকে সবসময় কৃষিকাজ করতে হয় না। কৃষককেও সরকার পরিচালনায় অংশ নিতে হয়, আবার রাজকীয় ব্যক্তিদেরও কৃষিকাজে সহায়তা করতে হয়।
স্কুল থেকেই তাদের এই শিক্ষা দেয়া হয়। প্রতিটি বাচ্চাকে স্কুলে থাকার বয়সকালীন সময়ে অর্থাৎ পূর্ণবয়স্ক হওয়ার আগ পর্যন্ত তাকে পর্যায়ক্রমে সবকিছুই শিখতে হয়। ৃকৃষিকাজ থেকে শুরু করে রাজ্যপরিচালনার সবকিছুই তাদের শিখতে হয়। শুধু আইন পেশা এবং পুলিশি দক্ষতা ছাড়া। এখানে রাজ্যপরিচালনার জন্য প্রচলিত প্রাচীন কিছু আইন আছে সত্য কিন্তু আইন ব্যবসা বলে কিছু নেই। সে কারণে এখানে উকিলও নেই। আর সবাই সেই প্রচলিত আইন দেশের সচেতন নাগরিক হিসাবে মেনে চলে বলে পুলিশের কোনো দরকার পড়ে না। এ কারণে পুলিশ আইন শিখতে হয় না তাদের। আর মোটামুটি সবকিছু তাদের স্কুল জীবনে শিখে নিতে হয়।
রিয়াজ স্কুল চত্বরে ঢুকে দেখতে পায় যে বিশাল জমিতে কয়েকজন শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে একদল পরী, বয়সে তার চেয়ে কিছুটা বড় হলেও গঠনে আরো বড়, লাঙল জোয়াল নিয়ে কৃষিকাজ শিখছে। সাদা এপ্রোন পরা আরেক দল ছাত্র একজন ডাক্তারের পিছে পিছে ছুটছে হাসপাতালের দিকে। পাশের বড় একটা কামরা থেকে ভেসে আসছে ইঞ্জিনের ধস ধস শব্দ।
রিয়াজকে মিসেস তিলোত্তমা একটা ক্লাসঘরে নিয়ে যায়। (চলবে)