সাতাত্তর.
তিতলী কাকার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘ওর মাকে খুঁজতে কফর নাগমে তুমি যাবে না কাকা?’
‘আমার যাওয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না। আমি গেলে তো ওরা আরো পেয়ে বসবে। তা ছাড়া আমি কি রিয়াজের মাকে চিনি নাকি যে খুঁজে বের করব। যদি কোনোভাবে জানা যায় যে ওর মা ওখানে বন্দী আছে ্তাহলে হয়তো ওদের সাথে আমি একটা দ্বিপাক্ষিক চুক্তিতে আসতে পারি। কিন্তু তার আগে তো আমাদের জানতে হবে যে রিয়াজের মা ওখানে আছে। যদি না থাকে? তখন অহেতুক হামলা করার জন্য ওদের সাথে আমাদের সম্পর্ক আরো নিম্নমুখী হবে।’
রিয়াজ বেশ জোর গলায় আত্মবিশ্বাসের সাথে বলল, ‘আমার মাকে খুঁজতে আমিই কফর নাগমে যাবো। একাই যাবো।’
তিতলী পরী নরম স্বরে বলল, ‘তুমি একা যাবে কেন? আমার তো এখন ছুটি। আমিও যাবো তোমার সাথে। দু’জনে এক সাথে খুঁজব।’
কাকা হা হা করে বলে উঠলেন, ‘না না তুই যেতে পারবি না। তুই পরী রাজ্যের রাজকন্যা। সেটা যদি কফর নাগমের ওরা কোনোভাবে জেনে যায় তাহলে তোকেই বন্দী করে রাখবে।’
‘কিন্তু বন্ধুদের বিপদে কি বন্ধু এগিয়ে যাবে না? আমাদের আনন্দ স্কুলে এতদিন কী শেখাল তবে?’
‘সেটাও ঠিক। দেখ তোর বাবা মায়ের সাথে কথা বলে। তারা যদি যেতে অনুমতি দেয়।’
রিয়াজ ইতস্তত করে বলল, ‘কফর নাগম নগরেই যে মা আছে তা তো কেউ বলতে পারে না। হয়তো ওখানে নেই। হয়তো কোনো পরীই মাকে তুলে আনেনি। মা পাগলীর বেশে পৃথিবীর পথে পথেই ঘুরছে।’
(চলবে)
সাতাত্তর.তিতলী কাকার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘ওর মাকে খুঁজতে কফর নাগমে তুমি যাবে না কাকা?’‘আমার যাওয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না। আমি গেলে তো ওরা আরো পেয়ে...
