ঊনআশি.
সব শুনে রিয়াজ বলল, ‘তুমি চিন্তা করো না। দেখো আমার কোনো বিপদ হবে না। সেই যে মনে নেই ট্রাফিক পয়েন্টের সেই ভালো ডাইনি আমার সাহস বাড়িয়ে দিয়েছিল। সেই সাহসের জোরে আমি ঠিকই আমার মাকে শয়তানদের হাত থেকে মুক্ত করে আনতে পারব। আমার কোনো ক্ষতি হবে না।’
তিতলী বলল, ‘তুমি কফর নাগমে গেলে আমার একা একা ঘুরতে ভালো লাগবে না। সেজন্য ভাবছি আবার পৃথিবীতে ঘুরতে যাবো। আর দেখি তোমার কথা মতো তোমার মনিবের ছেলে বাবুকে ভুলিয়ে ভালিয়ে নিয়ে আসতে পারি কিনা। যদি আনতে পারি তাহলে ওকে হারিয়ে ওর মায়ের কি অবস্থা হয় তা আমি প্রতিদিন গিয়ে দেখে আসব।’
রিয়াজ একটু আপেক্ষ করে, ‘ওহ আমি যদি তোমার সাথে সাথে থেকে বাবুর মায়ের বিলাপ দেখতে পারতাম!’
‘সেটা তো আর সম্ভব নয়। পৃথিবীতে তো আর মানুষেরা পরীদের মতো অদৃশ্য হয়ে থেকে সব কিছু উপভোগ করতে পারে না। সেখানে মানুষের সশরীরে উপস্থিত থেকে সব কিছু দেখতে হয়। তবে এক কাজ করতে পারো, ছায়া রাজ্যে তোমার যে ছায়াটা একা একা ঘুরে মরছে তাকে আমার সাথে পৃথিবীতে পাঠিয়ে দিতে পারো। সে বেচারা তোমার হয়ে সব দেখে আসবে। এক কাজ করি না কেন, চলো আমরা দুজন আগে ছায়া রাজ্য থেকে ঘুরে আসি। ছায়ারাজ্যে তোমার সাথে যেতে আমার কোনো বাধা নেই।’
‘না তা হয় না। মাকে খুঁজতে বেরিয়েছি আগে সেটাই করি। ছায়া রাজ্যটাজ্য পরে ঘোরা যাবে। মাকে খুঁজে বের করাই এখন আমার প্রধান কাজ।’
পরীরাজ্যের বিশাল তোরণ পেরিয়ে রিয়াজ একা একা নজীবীন রাজ্য থেকে বেরিয়ে আসে। (চলবে)
ঊনআশি.সব শুনে রিয়াজ বলল, ‘তুমি চিন্তা করো না। দেখো আমার কোনো বিপদ হবে না। সেই যে মনে নেই ট্রাফিক পয়েন্টের সেই ভালো ডাইনি আমার সাহস...
