(গত দিনের পর)
ভোজের দিন গৃহপালিত গরুকে খাবার পরিবেশনের দায়িত্ব দেয়া হয়। নিরীহ প্রাণী হিসেবে গরুর তুলনা নেই। ধৈর্য্যও আছে তাদের। খাবার পরিবেশনের কাজটি তারা ভালোই করতে পারবে। এমনই ধারণা ছিল রাণীর।
দায়িত্ব পেয়েই গরু মহাব্যস্ত হয়ে পড়ে অতিথিদের আপ্যায়নের কাজে। প্রাসাদ প্রাঙ্গণে বড় বড় টেবিল সাজিয়ে ভোজের আয়োজন করা হলো। চার দিকে লাল-নীল ঝলমলে বাতি, রঙিন তোরণ, বিলাসবহুল খাবারের টেবিল চেয়ার। ঝাড়বাতির আলো আঁধারী পরিবেশে পশু-পাখিরা সবাই এসে উপস্থিত। তাদের আনন্দেরও সীমা নেই। রাজবাড়িতে ভোজন করবে তারা। সবাই নীরবে ভদ্রবেশে বসে আছে। খাবার পরিবেশনের অপেক্ষায়।
সবাই নীরবে বসে থাকলেও মাছিদের নিয়ে যত সমস্যা। এরা চুপ করে বসে থাকে না। এ এক মহা মুশকিল, বড়ই বিরক্তিকর। (চলবে)
