নব্বই.
তারপর একজন উঁচু মতো ষণ্ডামার্কা পুরুষ পরী খপ করে তার ছোট্ট হাত আঁকড়ে ধরে আরেকজনের দিকে তাকিয়ে বিদঘুটে হাসি দিয়ে বলে, এযে মেঘ না চাইতেই জল। ভুলিয়ে ভালিয়েও একজন মানুষকে আনতে পারি না, সেখানে এই পুচকে ব্যাটা নিজেই এসে পড়েছে।
পাশের জন বলে, আমার ছেলে যখন আমাকে বলল, তখন তো আমি বিশ্বাসই করিনি। ও ওরকম বানিয়ে বানিয়ে অনেক গুল ছাড়ে। এখন তো দেখছি এ একেবারে দিনের আলোর মত সত্যি।
যে তাকে ঘুরে ঘুরে খুব খুটিয়ে দেখছিল সে ফিসফিস করে বলে ওঠে, দেখো দেখো এর গায়ে পরীর পোশাক। নিশ্চয় পৃথিবী থেকে আসেনি এ। পৃথিবীর মানুষ পরীর পোশাক পাবে কোথায়?
হু। তাতো সত্যিই। পায়ের জুতোটা দেখেছ। একেবারে উড়ক্কু ডাইনিদের জুতোর মতো।
তাইতো দেখছি গায়ে পরীর পোশাক পায়ে ডাইনিদের জুতো। স্বেচ্ছায় এসেছে আমাদের এখানে। যেখানে অন্য পরী, ডাইনিরা আসতে ভয় পায়। এর মতলবটা কী?
হাত ধরে রাখা চোয়াড়ে পরীটা অন্যদের সাথে আর আলাপ আলোচনার ধার না ধরে ফট করে প্রশ্ন করল, তুই কোত্থেকে আসছিস?
রিয়াজ অকপটে বলল , নজীবীন পরীরাজ্য থেকে।
ওরাই তোকে পাঠিয়েছে, নাকি তুই নিজের থেকেই এখানে এসেছিস?
আমি নিজের ইচ্ছেয় এখানে এসেছি।
কেন?
আমার মাকে খুঁজতে।
তোর মা এখানে আছে তোকে কে বলেছে?
আমি শুনেছি তোমাদের এখানে একজন মানুষ বন্দী আছে। সেই হয়তো আমার মা।
(চলবে)
নব্বই.তারপর একজন উঁচু মতো ষণ্ডামার্কা পুরুষ পরী খপ করে তার ছোট্ট হাত আঁকড়ে ধরে আরেকজনের দিকে তাকিয়ে বিদঘুটে হাসি দিয়ে বলে, এযে মেঘ না চাইতেই...
