সাতাব্বই.
রিয়াজ স্বপ্ন দৃশ্যের মতো দেখতে থাকে শলাপরামর্শ শেষে ছায়ারা জানায় রিয়াজকে উদ্ধার করতে রিয়াজের ছায়ার সাথে কাউকে যেতে হবে। ছায়াদের কোনো ভয়ডর না থাকার কারণে অনেক কিশোর কিশোরী ছায়া সাথে সাথে এই অ্যাডভেঞ্চারে যেতে রাজি হয়। তার মধ্যে অবশ্য সেই কিশোরী ছায়াটাও আছে। কিন্তু এক দঙ্গল ছায়া দুষ্ট পরীরাজ্যে গেলে ঝামেলা হতে পারে ভেবে সেই কিশোরী ছায়াটাকে নির্বাচন করা হয়। কারণ সে আগেই রিয়াজকে চেনে এবং রিয়াজ তার সাথেই যোগাযোগ করেছে।
দুজন দুষ্ট পরী রিয়াজকে খাওয়ানোর জন্য বন্দী রুমে এসে দেখে রিয়াজ বন্দী বাকস থেকে বাইরে বেরিয়ে এসে বসে আছে। প্রায়ান্ধকার রুমে তারা রিয়াজকে ওভাবে বেরিয়ে বসে থাকতে দেখে খুব অবাক হয়। ছেলেটা কি জাদু জানে নাকি? পরীদের পোশাক পরে স্বেচ্ছায় দুষ্ট পরী রাজ্যে এসেছে। পায়ে ডাইনীর দেয়া দ্রুতগামী জুতো। এখন আবার এই অসম্ভব বেরুনো বাক্স থেকে বেরিয়ে এসেছে। তারা দুজন একটু ঘাবড়ে যায়।
তারা অন্য বাকসটা আগে খোলে। ভেতরে বেলাল বহালতবিয়তে আছে। এবার ব্যাপারটা কি জানার জন্য রিয়াজের বাকসের ডালা উঁচু করে।
খুব অবাক হয়ে তারা দেখে যে ভিতরেও রিয়াজ চোখ বন্ধ করে শুয়ে আছে।
তারা বাকসের ডালা খোলা রেখেই বের হয়ে থাকা সেই রিয়াজকে খুঁজতে থাকে। এই ফাঁকে শরীরী রিয়াজ বাকস থেকে বেরিয়ে আসে। আর ছায়া রিয়াজ ঢুকে পড়ে বাকসের মধ্যে।
ওরা যেসময় বাকসের মধ্যে ঘুমের ভান করে থাকা ছায়া রিয়াজকে ঘুম ভাঙাতে ব্যস্ত সে সময় খোলা দরজা দিয়ে রিয়াজ দ্রুত বের হয়ে আসে। সাথে নিয়ে আসে বেলালকে।
(চলবে)