এক শ’দুই
ছায়া রিয়াজ বলল, তাহলে তো মাকে খুঁজে পেতে অনেক দেরি হয়ে যাবে।
ছায়া রিয়াজ চলে এলো রিয়াজের পাশে। তারপর রিয়াজকে বলল, এভাবে আস্তে আস্তে হাঁটলে মাকে সারাজীবনেও খুঁজে পাওয়া যাবে না।
রিয়াজ বলল, আমিও তাই ভাবছিলাম। তোমরা ছায়ারা কি একটু এগিয়ে গিয়ে দেখতে পারো না?
তা তো পারি। কিন্তু একা এই জঙ্গলে তোমার ভয় করবে কিনা তাই তো...
মাকে খুঁজতেই তো আমি একা একা এতদূর এসেছি। ভয় তো পাইনি। তোমরা আমাকে একা রেখে এগিয়ে যাও।
ঠিক বলছ?
তুমি আমার ছায়া হয়েও কেন বুঝতে পারছ না মাকে খুঁজছি আমি।
ছায়া রিয়াজ বলল, বুঝতে পারছি বলেই তো তোমাকে বলতে এসেছি। তুমি এই জঙ্গল ছেড়ে কোথাও যেও না। জঙ্গলের কোনো একটা নির্জন নিরাপদ জায়গা দেখে লুকিয়ে থাকো।
রিয়াজ বলল, ও নিয়ে চিন্তা করো না। এতটা পথ যখন আসতে পেরেছি তখন ঠিকই লুকিয়ে থাকতে পারব। তোমরা আমাকে এখান থেকে খুঁজে নিও।
ও নিয়ে চিন্তা করো না। আমরা ছায়ারা অন্ধকারের মধ্য থেকেও মানুষকে খুঁজে নিতে পারি।
রিয়াজ বলল, তুমি আমার মাকে দেখলে চিনতে পারবে?
তোমার মা বলছ কেন? ও তো আমারও মা। আমি তো তোমার ছায়া মাত্র। নিজের মাকে চিনতে পারব না? নিজের মায়ের ছায়াকে কোন ছায়া সন্তান না চিনতে পারে?
ঠিক আছে তাহলে তোমরা চলে যাও। আমি নিরাপদ জায়গা খুঁজে নেই। (চলবে)
