একশ’ তিন
শুধু দুষ্ট পরীদের থেকে একটু সাবধানে থেকো। ওরা কিন্তু তোমাকে ধরতে পারলে আবার বাক্সবন্দী করে রাখবে।
সে আর আমাকে বলতে হবে না। শুধু বেলাল ভাইকে নিয়ে একটু চিন্তায় আছি।
ছায়া রিয়াজ আর কিশোরী ছায়া আর কিছু না বলে মুহূর্তের মধ্যে অদৃশ্য হয়ে গেল। রিয়াজ ধন্দে পড়ে গেল। ওদের একটু বলে দেয়া হলো না মাকে কোথায় কোথায় খুঁজতে হবে। ওরা হয়তো শুধু বন বনানীতেই খুঁজে মরবে। কিন্তু রিয়াজের মনে হয়, মাকে শুধু বন বনানীতে খুঁজলে হবে না। যেতে হবে গ্রাম শহর নগর বন্দর নিজ দেশে।
রিয়াজ ছায়া রিয়াজকে এই কথাগুলো বলবে বলে হন্যে হয়ে খুঁজতে লাগল। কিন্তু কোথায় রিয়াজের ছায়ার চিহ্নমাত্র নেই। রিয়াজ ছুটতে শুরু করল। কারোর পায়ের শব্দে তার মনে হলো হয়তো ছায়া রিয়াজই হবে। কিন্তু তখনই তার মনে পড়ে গেল ছায়াদের তো শব্দ থাকে না। তাহলে অমন ছুটতে ছুটতে আসছে কে?
রিয়াজ একটা মোটা গুঁড়ির গাছের আড়ালে লুকিয়ে পড়ল। শব্দের উৎসের দিকে তাকিয়ে দেখতে পেল তীরের মতো ছুটতে ছুটতে বেলাল ভাই তার দিকেই এগিয়ে আসছে। আর বেলাল ভাইয়ের বেশ পেছনে দু’জন দুষ্ট পরী উড়ে উড়ে আসছে।
গাছের আড়ালে দাঁড়িয়ে থেকে রিয়াজ বেলাল ভাইয়ের ছুটতে থাকা দেখতে থাকে। গাছটা বেশ মোটা। গুঁড়ির দিকে একটা বিশাল খোড়ল মতো আছে। ওর মধ্যে অনায়াসে দু’একজন মানুষ লুকিয়ে থাকতে পারে।
বেলাল রিয়াজের কাছাকাছি আসতেই রিয়াজ হাত বাড়িয়ে বেলালের হাত ধরে টান মারে। দুষ্ট পরী, জিন অথবা ভয়ঙ্কর কিছু বেলালকে ধরে ফেলেছে মনে করে সে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। কিন্তু রিয়াজকে দেখে যেন তার ধড়ে প্রাণ ফিরে আসে। (চলবে)
একশ’ তিনশুধু দুষ্ট পরীদের থেকে একটু সাবধানে থেকো। ওরা কিন্তু তোমাকে ধরতে পারলে আবার বাক্সবন্দী করে রাখবে।সে আর আমাকে বলতে হবে না। শুধু বেলাল ভাইকে...
