(গত দিনের পর)
এক দিন দুই দিন করে সাগরে চলমান প্রিন্স রিঙের সপ্তডিঙ্গা নৌকা একসময় পৌঁছে যায় নিজ দেশের সাগরকূলে। সাম্পান থেকে নামার পরপরই রাজা-রাণী ও ছোট বোন প্রিন্সেস প্যানুলা এসে তাদের সাদর সম্ভাষণ করে নিয়ে যায় রাজপ্রাসাদে। প্রাসাদ থেকে একটু দূরে সুন্দর একটি ঘর বানিয়ে দেয়া হয় নকলরূপী প্রিন্সেস সিগনিকে। বিয়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত কয়েকটা দিন তাকে সেই ঘরেই থাকতে হবে। দেশের রীতি এটাই।
প্রিন্স রিঙ ফিরে এসেছে। আনন্দের ঢেউ বয়ে যাচ্ছে রাজ্যময়। রাজা ও রাণীর মনে খুশির আমেজ। দিন-প্রহর ও কোষ্ঠি গুনে বেছে ঘোষণা করা হলো বিয়ের দিন তারিখ। আর মাত্র সাত দিন বাকি। সারা রাজ্যে জানিয়ে দেয়া হলো বিয়ের সুসংবাদ। রাজকুমার রিঙ ও রাজকুমারী সিগনির বিয়ে।
প্রিন্সেস সিগনির (আসলে ডাইনি হারিয়ার) জন্য রাজপ্রাসাদের দূরে একটি সুন্দর ঘর বানিয়ে দেয়া হলো। ঘরের পাশেই একটি সুন্দর ফুলের বাগান। সেই বাগানের মাটিতে পুঁতে দেয়া হলো সাগরের ওই পাড় থেকে নিয়ে আসা সিগনির ওক বৃক্ষের চারা দুটি। নকল সিগনির সুরম্য ঘরের জানালা দিয়ে তাকালে ওক বৃক্ষ দু’টি চোখে পড়ে।
(চলবে)