(গত দিনের পর)
এদিকে ওক বৃক্ষ দুটি মাটিতে পুঁতে দেয়ার পর পরই ডাইনির ‘ফুঁক দেয়া মন্ত্রের ঘোর’ দূর হয়ে যায়। মাটির সংস্পর্শ পেয়ে বৃক্ষ দুটি লিক লিক বড় হতে থাকে। এক রাতের মধ্যেই ওক বৃক্ষের চারা দুটি প্রকাণ্ড মহীরুহ বৃক্ষে পরিণত হয়। বাগানে এমন দু’টি সুশোভিত বৃক্ষ দেখে রাজা ও রাণীর মনে খটকা লাগে। তারা বলাবলি করেন, ‘এটা কী করে সম্ভব! এত্তটুকু দুটি চারা গাছ, এক রাতের মধ্যেই কিভাবে এমন বৃক্ষে পরিণত হলো!’ মনে তাদের সন্দেহ দানা বাঁধতে শুরু করে।
কিন্তু এমন সুন্দর ও সবুজ চোখ জুড়ানো দুটি বৃক্ষ দেখে তাদের মনের সন্দেহ নিমেষেই মিলিয়ে যায়। আসলে রাজা ও রাণীর মনে উদ্রেক ও দুর্ভাবনা বেশিক্ষণ কেন যেন টিকে থাকতে পারে না।
এদিকে প্রিন্স রিঙ তার বিয়ের আয়োজনে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। আর মাত্র সাতদিন। তার পরেই প্রিন্সেস সিগনি হবে তার, শুধুই তার। ওহ, দিন যেন যেতেই চায় না। খুশিতে আটখানা সে। স্বপ্নে দেখা রাজকন্যাকে পাওয়ার আনন্দে সেও হারিয়ে ফেলেছে বিচার বুদ্ধি জ্ঞান ও বিবেচনা বোধ। তা না হলে, সুন্দরীরূপে সেজে থাকা নকল সিগনির কিছু কিছু অস্বাভাবিক কর্মকাণ্ড তার চোখ এড়িয়ে যেত না। (চলবে)
