জানো, আমাদের দেশে সারা বছরই পুঁইশাক পাওয়া যায়? এটি খেতে বেশ সুস্বাদু, পুষ্টিগুণে অনন্য আর রোগ প্রতিরোধেও ভূমিকা রাখে। এতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন। পুঁইশাক ভিটামিন-এ, ভিটামিন-সি ও ভিটামিন-বিতে সমৃদ্ধ। এ ছাড়া এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও খনিজ পদার্থ। এসব উপাদান সৌন্দর্য বাড়ায়।
পুঁইশাকে রয়েছে প্রচুর আঁশ, যা কোষ্ঠবদ্ধতা বা কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে সহায়তা করে।
নিয়মিত পুঁইশাক খেলে খোসপাঁচড়া ও ফোড়ার মতো সংক্রমণ থেকে রেহাই পাওয়া যায়। এ ধরনের সংক্রমণের বিরুদ্ধে এটি লড়াই করে।
ক্যানসার প্রতিরোধেও পুঁইশাক সাহায্য করে। এতে থাকা স্যাপোনিন এর কারণ।
পুঁইশাক প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়ায়, যা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। যারা নিয়মিত পুঁইশাক খান, তারা মাথাব্যথায় কম ভোগেন।
পুঁইশাকের ভেষজ বা ঔষধি গুণও উল্লেখ করার মতো। শরীরের কোনো অংশ আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে ফুলে গেলে পুঁইশাকের শিকড় তা সারাতে ভালো দাওয়াই। শিকড় বেটে লাগালে উপশম হবে। এ শাকে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি গুণই এর কারণ।
ব্রণ সারাতেও পুঁইশাক কাজ করে। কিছুদিন নিয়মিত এ শাক খেতে হবে কিংবা বেটে লাগাতে হবে ব্রণের ওপর।
নাক ও গলার সংক্রমণের বিরুদ্ধেও পুঁইশাক কাজ করে। পুঁইপাতার রসে চিনি মিশিয়ে খেলে এ সংক্রমণ উপশম হতে পারে।
প্রত্যেক বাড়ি বা বাসায় খুব সহজেই দু’একটি পুঁইচারা রোপণ করা যায়। বাড়ির উঠান বা আঙ্গিনা এবং বাসার ছাদের টবে এটি চাষ করা সম্ভব।