(গত দিনের পর)
রূপের রাজকন্যা সওদাপুত্রের কাছে এসে বলে, সুস্বাগতম হে সওদাগরপুত্র। সুস্বাগতম তোমায়। এসো, এই রাজপ্রাসাদ এবং আমি আজ থেকে তোমার। অনুমতি দিলে তোমাকে সেবাযতœ করে নিজেকে ধন্য করি। শ্রীআংটির এমন জাদুকরী শক্তি ও কারিশমা দেখে সত্যিই অবাক হয় সওদাগরপুত্র।
পাহাড় ঘেরা সমতল ভূমিতে বেশ সুখেই দিন কাটছিল তাদের। কিন্তু সুখ বড় মরীচিকাময়। বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না বুঝি কারো জীবনে। স্থায়ী সুখের জন্য সবাইকেই শ্রম দিতে হয়।
এভাবে চলে যায় অনেকটা দিন। একদিন রাজকন্যা সেই ঝর্ণার জলে গোসল করতে নামে। তখন হঠাৎ করেই জলে ভেসে আসা উলুখাগড়া নলের সাথে তার মাথার চুল আটকে যায়। অনেক চেষ্টা করেও মাথার কয়েকগোছা চুলকে ছাড়িয়ে নিতে পারেনি রূপের কন্যা। কন্যার মাথার কয়েক গাছি চুল উলুখাগড়ার সাথে পেঁচিয়ে ভেসে চলে যায় ভাটির দিকে। এক সময় সেই চুলের গোছা অনেক দূর চলে যায়। (চলবে)
