পঁয়তাল্লিশ.
সেই জিন তিনটে কি সহি সালামতে আপনার বাড়িতে পোতা আছে?’
‘থাকার তো কথা। যদি না ওরা নিজেরাই কোনো পথ করে বেরিয়ে যায়!’
‘আপনি কি আমাকে একটু জায়গাটা দেখাতে পারবেন?’
‘এখন ঠিক পারব কিনা জানি না। অনেক দিনই তো হয়ে গেল।’
আমি ঘরের মধ্য থেকে বলে উঠলাম, ‘আমি পারব আব্বা। আমি জায়গাটা চিনি।’
আমার এই অবস্থায় আমাকে মাগরেবের পরের এই অন্ধকার রাতে নিয়ে যাওয়া ঠিক হবে কিনা এই নিয়ে কিছুক্ষণ শলাপরামর্শ চলল। শেষ পর্যন্ত জিনসাধকের পরামর্শেই আমাকে নিয়ে যাওয়া সাব্যস্ত হলো। এ যেন কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার ব্যবস্থা। যদি প্রেতাত্মার কোনো ভয় থেকেই থাকে, তাহলে জিনসাধকের সামনে হয়ে যাওয়াই ভালো। এর প্রতিকার তিনিই ভালো জানেন!
গ্লুকোজটøুকোজ খাওয়ার কারণে কিনা জানি না, শরীরে যা শক্তি আছে তাতে বহাল তবিয়তে হেঁটে যেতে পারব, তাও আব্বা আমাকে ধরে ধরে নিয়ে চললেন। সবুর চলেছে হ্যারিকেন আর শাবল হাতে, আব্বার হাতে তিন ব্যাটারির টর্চ লাইট। জিন সাধকের একজন চ্যালাও আছে আমাদের সাথে।
বাঁশঝাড়ে এসে সবুর একটু ইতস্তত করতেই আমি কিছুটা ধমকের গলায় বললাম, ‘সবুর ভাই আগের দিন যেখান থেকে মেটে আলু তুলেছিলাম। একটা সবুজ বোতল উঠে এসেছিল।’ আমি ঠিকই জানি, সবুর ব্যাপারটা জানে, কিন্তু নিজেকে ফ্রেশ বোঝাতেই অভিনয় করে যাচ্ছে। সবুর বড়ো ঘাগু । (চলবে)