(গত দিনের পর)

এই আংটির মাহাত্ত্ব ও গুণের কথা তুমি কল্পনাও করতে পারবে না।
রাক্ষুসী বুড়ি বলে, ও আচ্ছা, বড়ই সুন্দর আংটি তো! তা, আমার আঙুলে একটু পরিয়ে দাও না। নয়ন ভরে দেখি, আমার হাতে এমন গুণের আংটিটি কেমন মানায়। দাও না একটু আমার হাতে পরিয়ে।
সরল মনের রূপেরকন্যা রাক্ষুসী বুড়ির মনের কথা ধরতে পারেনি। সে তক্ষণই আংটিটি খুলে বুড়ির হাতে পরিয়ে দেয়। আর দেরি হয় না। মুহূর্তের মধ্যেই বুড়ি তার রূপ পাল্টিয়ে ফেলে। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই রূপের কন্যা দেখে তার চোখের সামনে বুড়ি এক মৌমাছিতে রূপান্তর হয়ে গেলো। তারপর ভুঁন ভুঁন করে উঠোনে তিন চারটি চক্কর দিয়ে চক্ষের নিমেষেই অদৃশ্য হয়ে গেল।
বেশি দেরি হয়নি আংটিসহ মৌমাছির উড়ে তার ভাতিজির রাজপ্রাসাদের আসতে। রাজপ্রাসাদে এসেই বুড়ি আবার মনুষ্যরূপ ধারণ করে তার নাতির স্বেচ্ছা বন্দী রাজকুঠোরির সামনে চলে আসে।
(চলবে)