পাঁচ.
‘ভূতেরা ইচ্ছে করলে মানুষের শরীরে ঢুকে যেতে পারে।’ গাভু বলল।
‘তোর মতলব কি বল দেখি। তোর কথা তো আমি কিছুই বুঝতে পারছি না।’ টাভু ভুরু কুঁচকে তাকায়।
‘আমরা দুজনে মানুষের শরীরে ঢুকে যাবো।’
‘তারপর?’
‘তারপর ওদের ফুসলিয়ে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবো।
‘তারপর?’
‘তারপর মোটা আর চিকন হওয়ার দাওয়াই জেনে নেবো।
টাভু হেসে ওঠে। ‘এতক্ষণে বুঝেছি।’
‘সাধে কি তোকে বলে তালের আঁটি। খালি আঁটি। শাঁস নেই।
‘তোর তো ফাঁকা হাঁড়ি। বাজে বেশি। কথায় বলে, ফাঁকা হাঁড়ি বাজে বেশি।’
টাভু রাগে না। হাসে। তার মজা লাগছে। মানুষের শরীরে ঢুকবে ভেবেই মজা। মানুষ বড়ই মজার প্রাণী। মানুষের শরীরে থাকাও মজার। কত বিচিত্র জিনিস দেখা যায়। আবার ভয় ভয়ও লাগে। যদি মানুষের শরীর থেকে বের হতে না পারে। কত ভূতই মানুষের শরীরে আটকা পড়েছে। আর বের হতে পারে না। সেই মানুষেরা উল্টাপাল্টা সিক্সটি নাইন হয়ে যায়। করতে যায় এক রকম। হয়ে যায় আরেক রকম। কিছুই তাদের নাগালে থাকে না। সবই ভূতে চালায়। তখন তারা না মানুষ। না ভূত। তাদের বলে ভূতে পাওয়া মানুষ।
‘হ্যারে ট্যাভু?’
গাভু কি একটা চিন্তা করছিল। টাভুুর ডাকে ‘উ’ করে ওঠে।
‘আচ্ছা ধর, মানুষের শরীরে ঢুকে গেলাম। তারপর যদি আর বেরুতে না পারি?’
‘ধুর গাধা। ঢুকতে পারলে বের হতে পারব না কেন? যেখানে ঢুকা যায়। (চলবে)
