ছয়.
সেখান থেকে বের হওয়া যায়।’
‘তাও ঠিক। এখন কি করবি? এখানে বসে বকবক?’
‘উহু। প্ল্যান হলো। এখন কাজে নেমে পড়তে হবে।’
‘চল। ভোরের আলো ফুটেছে। জগিংয়ের সব লোকজন চলে এসেছে।’
‘হু। আর আমাদের কাজ এগিয়ে গেছে। জগিংয়ের লোকদের মধ্যে থেকে বাছাই করতে হবে।
গাভু আর টাভু মানুষ বাছাইয়ের কাজে নেমে পড়ে।
২
শারাফাত আলী হাঁপিয়ে উঠেছে। থলথলে চর্বি ঘামে ভিজে গেছে। গায়ের টি-শার্টও ঘামে ভিজে জবজব করছে। নিংড়ালে পানি বের হবে।
শারাফাত আলী গেঞ্জি খুলে নিংড়াচ্ছিল। পেছন থেকে কেউ তাকে ডাকল।
“ও ‘সারাপথ’ ভাই। কি হইছে আপনার। খালি গায়ে কেন? ছিনতাইকারী ধরছিল? কিছু না পেয়ে এমন দশা করে ছেড়ে দেছে। আপনি যা কিপ্টুস। কিছুই তো কাছে থাকে না। ছিনতাইকারীদের জন্য সবসময় টাকা পয়সা কাছে রাখতে হয়।”
শারাফাত আলী বিরক্তি মুখে পেছনে তাকাল। তার বন্ধু আব্বাছ খাঁ। জগিং করতে করতে এগিয়ে এসেছে। বদের হাড্ডি। জালিয়াতের কারবারি। এই লোকটা কখনো তার নামটা ঠিক করে ডাকে না। ইচ্ছে করেই ‘সারাপথ’ ডাকে। ভুল ধরিয়ে দিলেও ডাকে। সে আর এখন ভুল ধরায় না। যা ইচ্ছে তাই ডাকুক। সে না পেলে হলো। কিন্তু মনে মনে সে েেপ যায়। সে ইচ্ছে করলে ব্যাটার নামও ভাঙাতে পারে। আব্বাছ খাঁ। সে মনে মনে একটা ছড়াও বানিয়ে রেখেছে।
(চলবে)
