দশ.
আমি তোমাদের স্কুলের বিজ্ঞান শিক্ষক ও ডেমোনেস্ট্রর ছিলাম। আমার নাম মিজারুল কায়েস। তবে স্কুলের সবাই আমাকে এক্সম্যান বলে ডাকত।’
চমকে উঠল সজীব। এক্সম্যানের কথা সে শুনেছে। এক্সম্যান রহস্যজনকভাবে খুন হয়েছিলেন। স্যার কি তাহলে খুন হয়ে ভূত হয়ে গেছেন। সে কি ভূতের সাথে কথা বলছে?
‘এক্সম্যান নামে ডাকত কেন?’
‘এক্সিপেরিমেন্টের জন্য। আমি যখন নতুন কোনো এক্সপেরিমেন্ট করতাম তখন তার নাম দিতাম এক্স ওয়ান। এক্স টু। এক্স মানে অজানা। এক্সরে পড়েছ না? অজানা রশ্মি। সেখান থেকেই আমার নাম হয়ে গেল এক্সম্যান। কারণ আমার অজানা আবিষ্কার অজানাই থেকে যেত। কেউ কোনো আবিষ্কারের মুখ দেখেনি।’
‘আপনি কি সত্যি কিছু আবিষ্কার করেছিলেন?’
এক্সম্যান কিছুক্ষণ চুপ করে ঝিম মেরে থাকলেন। তারপর বললেন, ‘হু। আর সেই আবিষ্কারের কারণে আজ আমার এই অবস্থা।’
‘কি অবস্থা?’
‘কি অবস্থা তাতো দেখতেই পাচ্ছো। মানুষ হয়েও পশুর মতো লুকিয়ে জীবন কাটাতে হচ্ছে। গবেষণাগারে লুকিয়ে আছি। দিনের আলোতে বের হতে পারছি না। গবেষণা করতে পারছি না।’
‘গবেষণা করতে পারছেন না কেন? আপনি তো গবেষণাগারেই আছেন?’
(চলবে)
