ছিয়াশি.
অন্ধকারে সজীব ভেবে দাঁড়িয়েছে নিলয়ের পাশে। তারপর হ্যাচকা টানে নিলয়ের কাঁধের ব্যাগ নিয়ে ছুটতে শুরু করল।
ঘটনার আকস্মিকতায় হতভম্ব হয়ে গেল সবাই।
শক্তিশালী রাফি কিছূদূর মানুষটার পিছু পিছু দৌড়ে গেলেও মুহূর্তেই হাওয়া হয়ে যাওয়ায় ফিরে এলো। ‘ কেমিক্যালের ব্যাগটা নিয়ে গেছে নাকি?’
‘না।’ নিলয় হতভম্বের মতো বলল। সে ভয় পেয়েছে। ‘ক্রিকেটের ব্যাগ ওটা। সজীব আমার কাছে দিয়েছিল।’
সজীব গোয়েন্দার মতো বলল, ‘নিশ্চয় কেমিক্যালের ব্যাগটা হাতাতেই এই ছিনতাইকারী এসেছিল! তার মানে আমরা যে কেমিক্যাল কিনেছি, স্যারের ওখানে যাব সবই ওরা জানে। তার মানে কেউ আমাদের ফলো করছে।’
‘আমার কিন্তু ভালো লাগছে না।’ ভীতুর ডিম নিলয় বলল। ‘ওরা যদি ওরকমভাবে আমাদের আক্রমণ করে!’
‘সে ক্ষেত্রে আমাদের প্রস্তুত হয়ে থাকতে হবে।’ রাফি দৃঢ় কণ্ঠে বলল। তারপর মেয়েদের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘এ ঘটনার পরেও কি তোমরা যাবে?’
‘তোমরা যেতে পারলে আমরা যেতে পারব না কেন? মেয়ে বলে?’ রিমি ঝাঁঝালো কণ্ঠে বলল।
সজীব এগুতে এগুতে বলল, ‘দেরি হয়ে যাচ্ছে! চল এগুনো যাক!’ তারপর নিচু গলায় বলল, ‘আমাদেরকে সাবধানে থাকবে হবে! চোখকান খোলা রাখতে হবে! পিছনেই আমাদের প্রতিপক্ষ!’

স্কুলের পেছন দিকে জংলামত জায়গা। কিছু নারকেল গাছ, স্কুলের পুকুর, আর পরিত্যক্ত ভূমি।
(চলবে)