ছিয়ানব্বই.
মানুষের পৃথিবীতে ফিরে আসতে পারার আনন্দের চেয়ে বড় আনন্দ আর কি আছে।
স্যার দলিলটা নিজের পাঞ্জাবির পকেটে পুরতে পুরতে বললেন, ‘আমার তো বাড়িঘর নাই। এখানেই থাকব আমি। চল তোদের সবাইকে বাড়ি পৌছে দিয়ে আসি। এখনো খুব বেশি রাত হয় নাই। হাঁটতে হাঁটতেই...’
এক্সম্যান স্যার কথা শেষ করতে পারলেন না। দড়াম করে মুখের উপরেই দরজা খুলে গেল। কেউ প্রচণ্ড শক্তিতে লাথি দিয়ে দরজা খুলে ফেলেছে।
সবাই ভয়ে পিছিয়ে গেল।
পিস্তল হাতে এক চিহ্নিত সন্ত্রাসী গালকাটা মাসুদ দাঁড়িয়ে আছে। তার পাশে বিজ্ঞান স্যার। বিজ্ঞান স্যার ক্রুর হাসি হেসে বললেন, ‘আপনার জারিজুরি খতম এক্সম্যান। নামে এক্সম্যান এবার কামেও এক্সম্যান করে দেব। এতদিন অদৃশ্য হয়ে ছিলেন, হঠাৎ করে আবার হাজির হওয়ার খায়েশ হলো কেন? মরতে? সবাই জানে আপনি মরে গেছেন। লাশ গুম হয়ে গেছে। আজ রাতে সেটাই সত্যি হবে। আর এই বিচ্ছুর দলও আমাদের হাত থেকে পার পাবে না।’
এক্সম্যান স্যার এগিয়ে এলেন। ‘গুলি করতে হয় আমাকে করো। ওদেরকে ছেড়ে দাও। ওদের কোন দোষ নেই।’
‘দোষ নেই আবার! ওরা এখানে এসে তোর সাথে দল পাকিয়েছে না? পুরাতন ভবন ভাঙতে দেবে না। ওদের দল আমি বের করে দেব। সবকটাকে এমন নাকানিচুবানি খাওয়াব বাপের নাম ভুলে যাবে।’ বিজ্ঞান স্যার চিবিয়ে চিবিয়ে বললেন। (চলবে)
ছিয়ানব্বই. মানুষের পৃথিবীতে ফিরে আসতে পারার আনন্দের চেয়ে বড় আনন্দ আর কি আছে।স্যার দলিলটা নিজের পাঞ্জাবির পকেটে পুরতে পুরতে বললেন, ‘আমার তো বাড়িঘর নাই। এখানেই...
