নব্বই.
মাসুদের হাতের তাক করা পিস্তল যেন অসহায় হয়ে পড়েছে।
সজীব গরিলার মতো আ আ করে চিৎকার দিয়ে দু’হাতে দুমদুম করে বুকে চাপড় দিলো। তারপর এক লাফে কালা মাসুদের সামনে এসে পড়ল। মাসুদ ভয়ে জন্তুর দিকে তাক করা পিস্তলের ট্রিগার টানতে গেল। তার আগেই সজীবের বিশাল গোদা লোমশ পায়ের এক লাথিতে পিস্তল কোথায় ছিটকে পড়ল।
সজীব ভয়ে থরথর করে কাঁপতে থাকা মাসুদের বুকের কাছে খাঁমচে ধরে প্রায় মাথার ওপর শূন্যে তুলে দরজার বাইরে ছুড়ে মারল।
ওস্তাদের ওরকম অবস্থা দেখে বাকি দুই সাগরেদ তাড়াতাড়ি এক্সম্যান স্যারকে ছেড়ে দিয়ে পড়িমড়ি করে দৌড়াতে লাগল। সজীব পেছন দিক থেকে দু’জনকেই তার বিশাল হাত বাড়িয়ে ধরে বিড়াল ছানার মতো শূন্যে তুলে ফেলল। গম্ভীর ভারী মোটা গলায় বলল, ‘কোথায় পালাচ্ছ বাছাধন? অত সহজে পালালে তো হবে না!’
সজীব সাগরেদ দু’জনকেও শূন্যে তুলে দরজা দিয়ে বাইরে ছুড়ে মারল। গিয়ে পড়ল ওস্তাদের গায়ের ওপর। হাড় ভাঙার মটমট শব্দ শোনা গেল।
বিজ্ঞান স্যার আর ভয়ে দৌড়ে পালাল না। উল্টো দু’হাত আত্মসর্মপণের ভঙ্গিতে উঁচু করে এক্সম্যান স্যারের পায়ের কাছে পড়ে কাতর কণ্ঠে মিনতি করল, ‘আমাকে বাঁচান স্যার। আপনার বানানো ওই প্রাণী আমাকে মেরে ফেলবে স্যার।’
সজীব ততক্ষণে বিজ্ঞান স্যারের কাছে এগিয়ে এসেছে। (চলবে)