বিরানব্বই.
এক্সম্যান স্যার এবার দায়িত্ব হাতে তুলে নিলেন। বেশ গম্ভীর স্বরে বললেন, ‘মুকিত, আপনি এখন এখান থেকে আপনার সাগরেদদের নিয়ে চলে যান। ভালয় ভালয় চলে যান বলছি। না হলে আজ রাতে কি হবে আমরা কেউ জানি না। আমাদের একজন ছাত্র আপনার চোখের সামনে অদ্ভুত প্রাণী হয়ে গেছে, তা নিজে চোখেই দেখতে পাচ্ছেন। কাজেই এ ব্যাপারে বিন্দুমাত্র উইচই করবেন না। আজ রাতের ঘটনা রাতেই শেষ হবে। আগামীকাল এ নিয়ে আর একটা কথাও শুনতে চাই না। না হলে কিভাবে এই প্রাণী বানাতে হয় আমার জানা আছে। আর শুনুন, ভুলেও রাতে পুলিশ নিয়ে এখানে রেড দেয়ার কথা কল্পনাও করবেন না। আমার নিজ হাতে তৈরি এই প্রাণী আপনার কাউকেও তোয়াক্কা করবে না ভালোভাবেই বুঝতে পারছেন!’
বিজ্ঞান স্যার ফ্যাকাশে মুখে মাথা উপর নিচ করে বুঝিয়ে দিল, তিনি বুঝতে পেরেছেন। এক্সম্যান স্যার সজীবের দিকে দরজা থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিলেন। সজীব কথা শুনবে কিনা এ ব্যাপারে তার সংশয় ছিল। বিজ্ঞানী ফ্রাংকেনস্টাইন দানব তৈরি করলেও তার আর তার নিয়ন্ত্রণে ছিল না।
সজীব কথা শুনল। দরজা থেকে সরে এলো। আর সাথে সাথেই বিজ্ঞান স্যার উঠে পড়িমড়ি করে দৌড়ে বেরিয়ে গেল। সাগরেদরা ছাড়া পেয়ে আগেই পগার পার হয়েছে।
বিজ্ঞান স্যার সজীবকে ইশারা করে কাছে আসতে বললেন। সজীব কাছে এলে তিনি নরম স্বরে বললেন, ‘এখন তোকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে এনে বাবা মায়ের কোলে পাঠাতে হবে। একটু ধৈর্য ধরে বয়।’
(চলবে) ু
বিরানব্বই.এক্সম্যান স্যার এবার দায়িত্ব হাতে তুলে নিলেন। বেশ গম্ভীর স্বরে বললেন, ‘মুকিত, আপনি এখন এখান থেকে আপনার সাগরেদদের নিয়ে চলে যান। ভালয় ভালয় চলে যান...
