(গত দিনের পর)
সে এবার শালিককে বলে, বিদায় বন্ধু, বিদায়। তোমার এমন উপকারের কথা কোনো দিনও ভুলতে পারব না। আমি যে বদ্ধ এক অন্ধকোঠায় ছিলাম, সেটি বুঝতেও পারিনি। তুমি আমার চোখ খুলে দিলে, হে খয়েরি রঙের শালিক পাখি। এ কথা বলে ব্যাঙ এক লাফে কাছের জলাশয়ে গিয়ে পড়ে। তারপর দেয় সাঁতার। আবার ডুব দেয়, আবার সাঁতার। সে দেখে অনেক অনেক শাপলা পাতা ভাসছে পানিতে। শাপলা ফুল ফোটেছে অনেক। সে একটি শাপলা পাতার ওপর গিয়ে বসে। মাথা উঁচু করে চার দিকটা দেখতে চেষ্টা করে। উপরে আকাশের দিকেও তাকায়। কী বিশাল আকাশ! আহা, এতো বড় দুনিয়া!
ব্যাঙ ভাবে, এত বড় বিশাল জগৎ, এত বড় বিশাল আকাশ। কেন যে আরো আগে এলাম না এখানে। কেন যে পাাখিদের কথা শুনিনি। এই শালিকটা যদি আমাকে জোর করে নিয়ে না আসত, সারাটা জীবন আমার কেটে যেত ওই পাতকুয়োর ভেতর। কী অজ্ঞ, অবুঝ ছিলাম আমি। ধন্যবাদ হে খয়েরি রঙের শালিক পাখি, তোমাকে অনেক ধন্যবাদ। ব্যাঙ শাপলা পাতার ওপর থেকে মাথা উঁচু করে। দেখতে চেষ্টা করে তার প্রিয় শালিক পাখিকে দেখা যায় কিনা। কিন্তু তাকে আর খুঁজে পায় না সে। আর কি কখনো ওই শালিক পাখিকে খুঁজে পাবে সে! (শেষ)
(গত দিনের পর)সে এবার শালিককে বলে, বিদায় বন্ধু, বিদায়। তোমার এমন উপকারের কথা কোনো দিনও ভুলতে পারব না। আমি যে বদ্ধ এক অন্ধকোঠায় ছিলাম, সেটি...
