ভয়ঙ্কর এক ড্রাগন। এক কর্দমাক্ত জলাশয়ে থাকে সে। দেখতে ভীষণ আকৃতির, কুৎসিত। ড্রাগনটির খাবার ছিল মানুষ। না, তাকে মানুষ ধরে এনে খেতে হয় না। তাকে প্রতি মাসে একজন করে মানুষ ধরে এনে দিয়ে যেতে হয়। রাজার সৈন্যরাই এই কাজটি করে। প্রতি মাসে প্রজাদের থেকে একজন মানুষ ধরে আনে। তারপর হাত-পা বেঁধে ঘোড়ার গাড়িতে করে পাঠিয়ে দেয়া হয় ড্রাগনের কাছে। ড্রাগন সেই মানুষটাকে দিয়ে ডিনার সারে। এটাই নিয়ম। প্রতি মাসে তার একজন করে মানুষ খেতে হয়।
একদিন এলো রাজ কন্যার পালা। রাজকন্যাকে পাঠাতে হবে ড্রাগনের কাছে। ডিনার সারবে সে রাজকন্যাকে দিয়ে। উপায় নেই। ড্রাগনের চাওয়ার বাইরে কিছু করার সাধ্য নেই কারো। রাজ্যে এত মানুষ, এত বীর। কিন্তু কেউ ড্রাগনের সামনে দাঁড়ানোর সাহস করে না। ড্রাগনও সেটি বুঝে গিয়েছিল। তাই দিনের পর দিন সে আরো ভয়ঙ্কর, আরো নিষ্ঠুর হয়ে উঠছিল।
একদিন এক মেষপালক এসে হত্যা করেছিল সেই ড্রাগনকে। নিবিড় এক পল্লীগাঁয়ে ছিল সেই মেষপালকের বাস। বৃদ্ধ বাবা ও ছোট্ট বোনকে নিয়ে বাস করত সে। খুবই গরিব। বাবার আয় রোজগারে অতি কষ্টে খেয়েপরে বেঁচে থাকতে হতো। (চলবে)