পনেরো.
শোন, তোমাকে চুপি চুপি আরেকটা সারপ্রাইজের কথা বলে রাখি। তোমার মাকে এখনই বলার দরকার নেই। যে কাজের জন্য আটকে গেছি ওই কাজটা শেষ হলে আমি একটা লম্বা ছুটি পাবো। সেই ছুটিটা যেকোনো সময় হতে পারে, যেকোনো সময় আমি তোমাদের দরজায় এসে কড়া নাড়তে পারি।’
অনিক জানে এটা বাবার মন ভোলানো কথা। বিগত ছয় বছর ধরে বাবা এমন কথাই বলে এসেছেন। তবুও সে খুশি হলো। হয়তো সত্যি সত্যিই এবার বাবা কাজের শেষে ছুটি পাবেন। বাবা বাড়িতে আসবেন। ভিডিও চ্যাটে বাবাকে দেখা যায়, চেনা যায়, শোনা যায়, ছোঁয়া যায় না। তখন সে বাবাকে ছুঁতে পারবে!
বাবা মায়ের সাথে কথা বলতে চাইলেন। অনিক মোবাইলটা মায়ের কাছে দিয়ে নিশ্চিন্তে রুমের দরজা বন্ধ করে দিলো। এখন আর মা তার রুমে আসবে না, বাবার সাথে কথা বলবে।
অনিক নিজের যতসব ইলেকট্রনিক গ্যাজেটের জিনিসপত্র টেনে বের করল। ওর মধ্যেই কোথায় ওইজা বোর্ডটা পড়ে আছে। আগের না খেলা ক্যারাম বোর্ড, দাবার ছক, লুডো, এসবের মধ্যেই অবহেলায় পড়ে থাকা ধুলোমলিন ওইজা বোর্ডটাকে খুঁজে পেল অনিক। নিয়ম কানুন লেখা একটা ম্যানুয়াল ছিল ওর সাথে। কিন্তু সেটা এখন আর নেই। কোথায় হারিয়ে গেছে। অনিক ওইজা বোর্ডটা ঝেড়ে মুছে তার পড়ার টেবিলের উপর রাখল। ম্যানুয়াল নেই বলেই গুগুলে ওইজা বোর্ডে কিভাবে আত্মা আনতে হয় তা লিখে সার্চ দিলো। (চলবে)
পনেরো.শোন, তোমাকে চুপি চুপি আরেকটা সারপ্রাইজের কথা বলে রাখি। তোমার মাকে এখনই বলার দরকার নেই। যে কাজের জন্য আটকে গেছি ওই কাজটা শেষ হলে আমি...
