(গত দিনের পর)
আর কিছুক্ষণ পরেই সে ড্রাগনের মুখের খাবারে পরিণত হবে। ছিঁড়ে ছিঁড়ে খাবে তাকে ড্রাগন।
মেষপালকও জলাভূমির কিনারে এখন। সে সামনে বিশাল জলাভূমির দিকে তাকায়। তার সঙ্গে আসা কুকুর তিনটিও তাকায় জলাভূমির দিকে। এ এক ভৌতিক রূপ। কোথাও কোনো সাড়াশব্দ নেই। নিস্তব্ধ নিঝুম। জলাশয়ের বুক থেকে কোনো ভয়ঙ্কর জীব এখনো উঠে আসেনি। কুকুর তিনটি তীক্ষè দৃষ্টিতে সামনের দিকে তাকিয়ে আছে। কী দেখতে পাচ্ছে ওরা? মানুষের চেয়ে কুকুরের ইন্দ্রীয় শক্তি বেশি শক্তিশালী। জলাশয়ের দিকে কিছু কি দেখতে পাচ্ছে কুকুরগুলো? কখন উঠে আসবে ড্রাগন?
এক মিনিট, দুই মিনিট। পায়ের তলার মাটি যেন কাঁপতে শুরু করেছে সবার। ওই তো ওখানে। জলাভূমির মধ্যিখানের মাটি ফুলে ফেঁপে উপরের দিকে উঠে আসছে। কী ভয়ঙ্কর! জলাভূমির বুক চিড়ে কী যেন একটা দানব বেরিয়ে আসছে। হ্যাঁ, ওই তো, ওই যে ড্রাগন। পাতাল ফুঁড়ে উঠে আসছে সে। কী বীভৎস রে বাবা! (চলবে)