চব্বিশ.
‘তাহলে আর কি, তোর বাবার ভিডিওকলের জন্য রাত পর্যন্ত ওয়েট কর।’
‘কিন্তু তার আগেই ব্যাপারটা কি যদি একটু বোঝা যেত।’ অনিক বলতে বলতে ম্যানুয়াল, প্যাম্পলেট জাতীয় কিছু খুঁজতে লাগল। ভেতরে নিশ্চয় আছে। না থেকে পারে না।
মা একটু ইতস্তত করে বললেন, ‘তুই নিজেই তো আইটি বিশেষজ্ঞ। তুই বুঝতে পারছিস না? তাহলে তোর কোনো আইটি বিশেষজ্ঞ বন্ধুকে ডাক, দেখ সে বুঝতে পারে কি না।’
অনিক প্রথমে কিছুই বলল না। তারপর বিড়বিড় করে বলল, ‘আমার ওরকম কোনো বন্ধু নেই।’ তারপর প্রায় কোনো যায় না এ রকম স্বরে বলল, ‘আমার কোনো বন্ধু নেই মা। ক্লাস ফ্রেন্ড আছে। জাস্ট ক্লাস ফ্রেন্ড।’
ব্যাপারটা মিসেস জেরিনও জানেন। কিন্তু এর গভীরতা কখনো বুঝতে পারেননি। অনিকের নিজেদের বাড়ি হওয়া সত্ত্বেও কোনো বন্ধু বা বান্ধবী ওর বাড়িতে কখনো আসেনি, ও বন্ধ ঘরে গলা খুলে আড্ডা দেয়নি, ছাদে যাওয়ার আবদার করেনি। ওর জন্মদিনের পার্টিগুলোও হয় খুব ঘরোয়া। ঢাকায় তাদের যত আত্মীয় পরিজন আছে তারাই আসে। এমনকি ওর কাজিনদের মধ্যেও ওর সাথে কারোর গাঢ় বন্ধুত্ব দেখা যায় না।
অন্তর্মুখী স্বভাবের ছেলেমেয়েদেরও বন্ধু থাকে। সেই বন্ধুরাও অন্তর্মুখী হয়। অনিকের সেরকম কেউ নেই।
(চলবে)
চব্বিশ.‘তাহলে আর কি, তোর বাবার ভিডিওকলের জন্য রাত পর্যন্ত ওয়েট কর।’‘কিন্তু তার আগেই ব্যাপারটা কি যদি একটু বোঝা যেত।’ অনিক বলতে বলতে ম্যানুয়াল, প্যাম্পলেট জাতীয়...
