তেতাল্লিশ.

এবার স্বাভাবিক গলায় বললেন, ‘এখানে একটু দাঁড়া। আমি আসছি।’ বলেই ভেতরে গেলেন। মিনিট দুয়েকের মধ্যে এসে অনিকের হাতে পাঁচশ টাকার একটা নোট গুঁজে দিয়ে বললেন. ‘তোরা কি সব মোবাইলের জিবি টিবি ভরিস না, এই টাকা দিয়ে ভরে নিস। বুঝলি। তোর মাকে বলার দরকার নেই।’
‘কি?’ অনিক বুঝতে পারলেও আবার জিজ্ঞেস করল।
‘এই টাকার কথা। ভূতের কথা!’
অনিক টাকাটা থ্রিকোয়াটার প্যান্টের পকেটে ভরতে ভরতে ভাবল, সামথিং ফিশি। না হলে বড় চাচীর মতো কৃপণ মানুষ যেচে পাঁচশ টাকা ধরিয়ে দেওয়ার মতো উদার নন। ভাবতে ভাবতেই অনিক সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে দেখতে পেল আম্মু বেরিয়ে তাকে খুঁজছে। আম্মুর হাতে মোবাইল। আম্মু মোবাইলটা কানের কাছ থেকে একটু সরিয়ে নিচু গলায় বলল, ‘তুই কই গিয়েছিলি? তোর আব্বু ফোন দিয়েছে। যন্ত্রটার ব্যাপারে কথা বলবে।’
আম্মু অনিকের হাতে ফোনটা ধরিয়ে দিয়ে সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠতে লাগল। অনিক একবার ভাবল আম্মুকে ছাদের ভূতটার কথা বলে। কিন্তু পকেটে পাঁচশ টাকার উপস্থিতি আর বাবার সাথে কথা বলার প্রয়োজনীয়তা তাকে না করল। যাক, আম্মু নিজ চোখে ভূত দেখে এলে অন্য কথা! (চলবে)