আটচল্লিশ.
এখন নিশ্চিন্ত মনে অনিকের জন্মদিনের প্রোগ্রাম সেট করা যাবে। এবং তিনি চান এবার জোর করে হলেও অনিকের দু-একজন বন্ধুবান্ধব ওর জন্মদিনে আসুক। প্রয়োজনে তিনি নিজেই যোগাযোগ করে দাওয়াত দেবেন।
অনিক বুঝল মোবাইলে পিডিএফ দেখে কাজ হবে না। এটা বড়ো স্ক্রিনে নিতে হবে। ডেস্কটপে না হলেও অন্তত ল্যাপটপে নিলে ম্যানুয়ালের ছবি দেখে দেখে একটার সাথে আরেকটা সংযোগ দেওয়া যাবে।
অনিক নিজের ঘরের ভেতরে ঢুকতে ঢুকতে বলল, আম্মু, হলোগ্রাফিক যন্ত্রটা সেট করার চেষ্টা করছি। এখন কোনো কিছুতেই ডাকবা না কিন্তু।’
‘নাস্তা বানাচ্ছি। খেয়ে দেয়ে তারপর কর।’
‘খিদে নেই। খাব না।’ বলে অনিক নিজের রুমে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিলো।
এমনিতেই বাবার ভাষ্য অনুযায়ী ল্যাপটপের লাইন দেয়া লাগত। হয়তো চালাতে গেলেও ইন্টারনেট লাগবে। অনিক রুমে এসে আগে ল্যাপটপ চালু করল। তারপর মোবাইল থেকে পিডিএফটা ল্যাপটপে নিয়ে স্ক্রিন বড় করে ব্যাপারটা কি দেখতে লাগল। যা ভেবেছিল তাই; প্রথমেই ল্যাপটপের সাথে একটা অংশের সংযোগ দিতে হবে। ওখান থেকে ল্যাপটপে সংরক্ষিত ছবিও ওই মেশিনের ভেতরে দেয়া যাবে। তারপর সেটা আবার সংযোগ দিতে হবে ক্যামেরার মতো অংশের সাথে। (চলবে)
আটচল্লিশ.এখন নিশ্চিন্ত মনে অনিকের জন্মদিনের প্রোগ্রাম সেট করা যাবে। এবং তিনি চান এবার জোর করে হলেও অনিকের দু-একজন বন্ধুবান্ধব ওর জন্মদিনে আসুক। প্রয়োজনে তিনি নিজেই...
