বায়ান্ন.
গেটের বাইরে বেরিয়ে রিকশা খোঁজাখুঁজি করছিল অনিক। এমন সময় বাসার সামনেই একটা রিকশা এসে থামল। রিকশা থেকে নামল রিমা আপু। আপু চাকরি করে। অফিস থেকে ফেরত আসতে সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত হয়ে যায়। রিমা আপুর সাথে তার সম্পর্কটা বেশ হৃদ্যতার। আপু তাকে দেখে একগাল হেসে বলল, ‘্এই যে ঘরকুনো। এত রাতে ঘরের বাইরে কেন?’
‘মাল্টিপ্লাগ কিনতে যাব। তোমার রিকশাটা নিই?’
‘প্রথম কথা ওই রিকশাটার মালিক আমি নই। দ্বিতীয় কথা, রিকশাওয়ালা চাইলেই তুই যেতে পারবি, আমি না। কাজেই রিকশাওয়ালার সাথে বাতচিৎ কর।’
অনিক রিকশাওয়ালার সাথে বাতচিৎ করে রিকশায় উঠে পড়ল। রিকশা টানতেই রিমা আপু চেঁচিয়ে বলল, ‘ছোট চাচু কি আসবে?’
ছোট চাচু যে বাবা বুঝতে অনিকের একটু সময় লাগল। ততক্ষণ রিকশা কিছুটা টেনে গেছে। অনিক পিছন দিকে ফিরে চেঁচিয়ে বলল, না।’
রিমা আপুও চেচাল। ‘আমি জানতাম!’ তারপর গেট দিয়ে ভেতরে ঢুকে গেল।
স্থানীয় কোনো দোকানেই এই সকেটের জন্য মাল্টিপ্লাগ নেই। অনিক স্থানীয় মার্কেটগুলো থেকে আরেকটা রিকশা নিয়ে মেইন রোডের সাথে বড় মার্কেটে এলো। একা একা এই রাতে এতদূর এসেছে জানতে পারলে আম্মুর ঝাড়ি খেতে হবে। (চলবে)
বায়ান্ন.গেটের বাইরে বেরিয়ে রিকশা খোঁজাখুঁজি করছিল অনিক। এমন সময় বাসার সামনেই একটা রিকশা এসে থামল। রিকশা থেকে নামল রিমা আপু। আপু চাকরি করে। অফিস থেকে...
