চুয়ান্ন.
সবাই নিজের মতো করে থাকে। অনিকের বাবা বিদেশ থেকে অনেক অর্থ উপার্জন করে এই ধারণায় অনিকের মাকে দেমাগি ভেবে আরো বেশি এড়িয়ে চলে। আম্মুও অন্যদের কাউকে কেয়ার করেন না।
অনিক নিজেও বুঝতে পারছে না ব্যাপারটা কি! পাঁচশ টাকা দিয়ে বড় চাচী কি মাথা কিনে নিয়েছে নাকি?
অনিক ঘরের ভেতরে ঢোকার আগেই আম্মু বললেন, হাতের ওটা রেখে গিয়ে দেখা করে আয়। বলেছে আসতেই পাঠিয়ে দিতে। কোনো ঝামেলা পাকিয়েছিস নাকি?
‘কি ঝামেলা পাকাব?’ অনিকও উল্টো ঝাড়ি দিলো। ঝাড়িঝুড়ির সম্পর্ক সবই তার মায়ের সাথে। অন্যের সামনে সে ভেজা বেড়াল। ‘কিচ্ছু না। এমনি হয়তো ডেকেছে। মোবাইলের কিছু ঠিকঠাক করে নেবে বোধ হয়।’ অনিক এই বলে এড়াতে চাইলো। গ্যাজেট গুরু হিসাবে তার বেশ নামডাক আছে।
বড় চাচী যেন তার জন্যই অপেক্ষা করছিলেন। বড়োচাচা এখনো ফেরেননি। অফিস শেষ করলেও অফিসার্স ক্লাবে সময় কাটান। অনিকের হাত ধরে ভেতরে টেনে নিয়ে দরজা বন্ধ করে ফিসফিস করে বললেন, ‘ঘটনা তো অন্যরকম হয়ে গেছে।’
‘কি ঘটনা?’ অনিক অবাক হলো।
‘ভূত হওয়া মেয়েটা তো ঘরে ঢুকে পড়েছে। তুই আমার সাথে কথা বলে চলে গেলি।
(চলবে)