সাতান্ন.
অনিক মহাফাপরে পড়ল। খাবার কথা বলে নিস্তার পাওয়া গেল না। তখনই বুঝল মা চাচীদের কাছ থেকে পরীক্ষার কথা বলে যেমন সহজে নিস্তার পাওয়া যায়, ক্ষুধার্ত থাকার কথা বলে কখনো নিস্তার পাওয়া যায় না। এই ট্রিক্স ভবিষ্যতে আর কখনো প্রয়োগ করা যাবে না।
অনিক বিরস মুখে ডাইনিং টেবিলে খেতে বসল। এবং ছড়িয়ে ছিটিয়ে কিছুটা খেল। সন্ধ্যেয় নুডুলস খাওয়ার কারণে তার খুব একটা খিদে নেই। তাছাড়া হলোগ্রাফিক জিনিসটা সেট করার উত্তেজনায় তার ক্ষুধা তৃষ্ণাও চলে গেছে। কলিংবেলের শব্দে অনিক খাওয়া প্রায় শেষ করে ফেলল। বড়োচাচা ভেতরে ঢুকলেন। এবং অনিককে অমনভাবে ডাইনিয়ে বসে খেতে দেখে চাছাছোলাভাবে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোর মা কোথাও গিয়েছে নাকি?’ অনিককে খেতে দেখে স্বাভাবিকভাবেই এই প্রশ্নটাই বড়োচাচার মাথায় এলো। কারণ এই বাসায় তেমন কেউ আসে না, আসলেও খায় না। শুধু বিদেশ থেকে ছেলে শিহাব এলেই তার বন্ধুরা আসে, তখন আড্ডা খাওয়াদাওয়া হৈহট্টগোল হয়। তো সেই ছেলেও দেশে আসেনি এই বছরখানিক হলো। ওখানে কাজের নাকি অনেক চাপ!
অনিক পানির গ্লাসে চুমুক দিয়ে টেবিল থেকে উঠতে উঠতে দু’দিকে মাথা নেড়ে না জানাল। তার পর কাউকে কিছু না বলে খোলা দরজা দিয়ে হুট করে বেরিয়ে গেল। অনিকের এই আচরণে বড়োচাচা এতো অবাক হলেন যে পোশাক ছাড়তেও ভুলে গেলেন।
(চলবে)
সাতান্ন.অনিক মহাফাপরে পড়ল। খাবার কথা বলে নিস্তার পাওয়া গেল না। তখনই বুঝল মা চাচীদের কাছ থেকে পরীক্ষার কথা বলে যেমন সহজে নিস্তার পাওয়া যায়, ক্ষুধার্ত...
