১

পাখির নাম  হলদে হ্যামার

মুহাম্মাদ মাসুম বিল্লহি

একটি পাখির নাম হলদে হ্যামার। হলদে হ্যামার বাদে এদের আরো ২০টি নাম রয়েছে। নামের দ্বিতীয় অংশ হ্যামার শব্দটির উদ্ভব ঘটে জার্মান ভাষা থেকে।

 হলদে হ্যামার ইমবারিজিডি পরিবারভুক্ত গায়ক পাখি। ইউরোপ ও এশিয়ার উন্মুক্ত ভূমিতে এদের পাওয়া যায়। অধিকাংশ হ্যামারই আবাসিক। তবে কিছু পরিযায়ী হ্যামারও রয়েছে। এর বৈজ্ঞানিক নাম ঊসনবৎরুধ পরঃৎরহবষষধ.

হলদে হ্যামার দেখতে খুবই চমৎকার। পুরুষ হ্যামারের সৌন্দর্য আরো আকর্ষণীয়। এর মাথার রঙ সরিষা ফুলের মতো উজ্জ্বল হলুদ। বাদামি রঙের পালকে রয়েছে আঁকাবাঁকা ডোরা দাগ, ঠোঁট উজ্জ্বল হলুদ। ডানা ডোরাকাটা বাদামি। স্ত্রী হ্যামারের গায়ের রঙ অনেকটাই নি®প্রভ।

হলদে হ্যামার মোটাসোটা বা স্বাস্থ্যবান পাখি, দেহের দৈর্ঘ্য ১৫ দশমিক ৫ থেকে ১৭ সেন্টিমিটার। শীতকালে এরা ছোট ঝাঁক গঠন করে চলাফেরা করে। বাচ্চাকে খাওয়ানোর সময় এরা পতঙ্গ খায়।

অন্যান্য সময় বীজ খেয়ে থাকে। তবে প্রজনন ঋতুতে ছোট অমেরুদ-ী প্রাণী খায়।

যেখানে বীজের প্রাপ্যতা বেশি সেখানে হলদে হ্যামার বাসা তৈরি করে। বাসা নির্মাণ করে স্ত্রী হ্যামার। ঘাস, মস, ও চুল দিয়ে এরা বাসা তৈরি করে। প্রজনন ঋতু এলে স্ত্রী হ্যামার তিন থেকে ছয়টি ডিম পাড়ে।

১৮৬১-১৮৬৫ সালে অ্যালাবামায় সংঘটিত গৃহযুদ্ধের সময় অ্যালাবামা রেজিমেন্টের সদস্যদেরকে হলদে হ্যামার বলা হতো। কারণ, সৈন্যরা তাদের টুপিতে হ্যামার পাখির পালক পরত। বর্তমানে হলদে হ্যামার অ্যালাবামার রাষ্ট্রীয় পাখি।

 

 

 

ও য়ে ল সে র  রূ প ক থা

ক্যারাগোনানের পরীরা

রূপান্তর: শেখ আবদুল্লাহ নূর

(গত দিনের পর)

 

এর পর বলে, যুবক তুমি চোখ মেলো। যুবকটি চোখে মেলে। পরীরানী বলে, আরশিতে কিছু দেখতে পাচ্ছো তুমি?

যুবকটি আরশির দিকে চোখ মেলে তাকায়। তার পর বলে, হ্যাঁ, পরীরানী, আমি ওই যাদুকরী ডাইনি বুড়িকে দেখতে পাচ্ছি। আর দেখতে পাচ্ছি তার বাড়ির পাশের একটি দেবদারু গাছ।

পরীরানী এবার আরশিটি বাঁশের খুঁটিতে আবার ঝুঁলিয়ে রাখে। আবার সে খুঁটির চার পাশে নাচতে বলে সবাইকে। পরীরা যুবকটিকে নিয়ে ঘুরে ঘুরে নাচতে থাকে এবং গাইতে থাকে সেই গানটি :

‘চার, পাঁচ, ছয়, মোরা চক্রাকারে ঘুরি;

মনের পাখায় ভর করে এই হাওয়ায় হাওয়ায় উড়ি।

নীল সাগরের জলের কোলে দোলাই মোদের মন,

জাগাই তার-ই জীয়নকাঠি অসুস্থ যে জন।’

ছয় পাক ঘুরার পর আবার থামিয়ে দেন পরীরানী সবাইকে। এবার যুবককে আরশির কাছে এনে বলে, এবার কী দেখতে পাচ্ছ হে যুবক?            (চলবে)

 

 

 

নি ত্যো প ন্যা স

ছায়া-মানুষ

প্রিন্স আশরাফ

উনষাট.

মা ডাইনিং রুমের লাইট অফ করে দিয়ে অনিকের ভেজানো দরজায় এসে বললেন, ‘আমি শুতে গেলাম। তুইও শুয়ে পড়। পরীক্ষা নেই বলে রাত জাগিসনে!’

মা বেরিয়ে যেতেই অনিক দরজাটা ভেতর থেকে লক করে দিলো। সব গুছিয়ে সেট করতে গিয়ে আবার ওইজা বোর্ডটাকে খাটের উপরে নজরে এলো। অনিকের মনে হলো, ও তো ওইজা বোর্ডটাকে এখানে এনে রাখেনি। তাহলে এখানে এলো কিভাবে? নিজে নিজে হেঁটে হেঁটে? হয়তো সব কিছু বারবার টানা হেচড়া করতে গিয়েই এই কা- করেছে। ওইজা বোর্ড যেখানে আছে ওখানেই থাকুক। রাতে ঘুমানোর সময় বেড থেকে সরালেই হবে। ওইজা বোর্ডের দিকে নজর যেতেই দেখতে পেল বাটনটা ইয়েসের ঘরে স্থির হয়ে আছে। তার মানে গিয়ে দাড়ায়, এই ঘরে কোনো আত্মা এসে অবস্থান করছে।

অনিকের একটু ভয় ভয় করতে লাগল। রুমের ফ্লুরুসেন্ট বাতি জ¦লছে, তারপরেও উঠে গিয়ে এটাচড বাথরুমের লাইটা জ¦ালিয়ে বাথরুমের দরজা খুলে রুমে আরেকটু বেশি আলোকিত করল।

সবকিছুইর সংযোগ দেওয়া রেডি। অনিকের ল্যাপটপের ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখল। রাত সাড়ে এগারোটা বাজে। এখন সুইচ টুইচ অন করে প্রথমবারের মতো চালু করতে হবে।          (চলবে)

 

 

 

 

জানা-অজানা

দেরাজ

ছোট্ট বন্ধুরা,

তোমরা সবাই দেরাজ চেনো, তাই না? এটি কী? টেবিল, আলমারি প্রভৃতির মধ্যগত বাকসের মতো আধারবিশেষ। এটি টেনে খোলা এবং ঠেলে বন্ধ করা যায়। দেরাজের অপর নাম টানা। ইংরেজিতে একে বলে ড্রয়ার (ফৎধবিৎ)। বর্তমানে ড্রয়ার শব্দটি বাংলা হিসেবেই ব্যবহার করা হচ্ছে।

বিভিন্ন দেরাজে বিভিন্ন জিনিস রাখা হয়, যেমনÑ কলম, পেনসিল, বই-খাতা, পোশাক, টাকা-পয়সা এমনকি শাকসবজি। এবার ছবি দেখো এবং মজা করো।

 

 

 

ইতিহাসে আজ

জুলাই-০৫

-           ১৭৯১ : জর্জ হ্যামন্ড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত নিযুক্ত হন।

-           ১৮১১ : ভেনিজুয়েলা স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

-           ১৮৯৪ : ইংরেজ পুরাতত্ত্ববিদ আস্টন হেনরি লেয়ার্ডের মৃত্যু।

-           ১৯১১ : ফরাসি রাষ্ট্রনায়ক জর্জ পপিদুর জন্ম।

-           ১৯৩২ : অলিভিয়েরা সালাজার পর্তুগালের ফ্যাসিবাদী স্বৈরশাসক হন।