উনষাট.
মা ডাইনিং রুমের লাইট অফ করে দিয়ে অনিকের ভেজানো দরজায় এসে বললেন, ‘আমি শুতে গেলাম। তুইও শুয়ে পড়। পরীক্ষা নেই বলে রাত জাগিসনে!’
মা বেরিয়ে যেতেই অনিক দরজাটা ভেতর থেকে লক করে দিলো। সব গুছিয়ে সেট করতে গিয়ে আবার ওইজা বোর্ডটাকে খাটের উপরে নজরে এলো। অনিকের মনে হলো, ও তো ওইজা বোর্ডটাকে এখানে এনে রাখেনি। তাহলে এখানে এলো কিভাবে? নিজে নিজে হেঁটে হেঁটে? হয়তো সব কিছু বারবার টানা হেচড়া করতে গিয়েই এই কা- করেছে। ওইজা বোর্ড যেখানে আছে ওখানেই থাকুক। রাতে ঘুমানোর সময় বেড থেকে সরালেই হবে। ওইজা বোর্ডের দিকে নজর যেতেই দেখতে পেল বাটনটা ইয়েসের ঘরে স্থির হয়ে আছে। তার মানে গিয়ে দাড়ায়, এই ঘরে কোনো আত্মা এসে অবস্থান করছে।
অনিকের একটু ভয় ভয় করতে লাগল। রুমের ফ্লুরুসেন্ট বাতি জ¦লছে, তারপরেও উঠে গিয়ে এটাচড বাথরুমের লাইটা জ¦ালিয়ে বাথরুমের দরজা খুলে রুমে আরেকটু বেশি আলোকিত করল।
সবকিছুইর সংযোগ দেওয়া রেডি। অনিকের ল্যাপটপের ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখল। রাত সাড়ে এগারোটা বাজে। এখন সুইচ টুইচ অন করে প্রথমবারের মতো চালু করতে হবে। (চলবে)