(গত দিনের পর)
সে নিজেকে সাহস দেয়ার জন্য বলে, ভয় পেও না, ভয় পেও না। তুমি তোমার কাজ তুমি চালিয়ে যাও। কিসের এত ভয়?
শাবল দিয়ে সে আরো কয়েক কোপ দিতেই বেড়িয়ে এলো স্বর্ণখচিত সেই ডালাটি। ক্ষিপ্র হাতে যুবকটি খুলে ফেলে ডালা। ভিতরে আগুনের মতো জ্বল জ্বল করছে ভোমরাটি। দেখে মনে হচ্ছে জীবন্ত কোনো প্রাণী এটি।
যুবকটিকে এখন কে যেন মোহগ্রস্ত করে রেখেছে। নিজেকে যেন ভুলে গেছে সে। কোনো ভয় ডর নেই এখন তার মনে। এ এক অশরীরী সাহস। কোনো এক অকল্পনীয় সংকল্প এসে ভর করেছে তার গায়। সে ভোমরাকে হাত দিয়ে শক্ত করে ধরে দিলো এক ছুট। দৌড় দিলো সে সাগরের দিকে। ছুটছে তো ছুটছে। হাঁপিয়ে উঠছে সে। তবুও ছুটে চলার বিরাম নেই তার। তাকে পাহাড়ের চূড়ায় উঠতে হবে। তারপর ছুড়ে ফেলে দিতে হবে এই গনগনে আগুনের মতো ভোমরাকে। গহিন নীল জলের তলে চিরদিনের জন্য হরিয়ে যাবে এই ভোমরা। সেই সাথে হারিয়ে যাবে ডাইনি বুড়ির জাদুমন্ত্রের টান। (চলবে)
(গত দিনের পর)সে নিজেকে সাহস দেয়ার জন্য বলে, ভয় পেও না, ভয় পেও না। তুমি তোমার কাজ তুমি চালিয়ে যাও। কিসের এত ভয়?শাবল দিয়ে সে...
