চৌষট্টি.
অনিক মজা করার জন্য প্রজেকশনের অংশটা অতি সাবধানে একটু নাড়াচড়া করল। ঘরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা অনিকের হলোগ্রাফিক ইমেজটাও একটু দুদিকে নড়ল। যেন মনে হলো ওটা জীবন্ত মানুষের মতো নড়ছে। তখনই অনিকের মনে হলো, এর মধ্যে নড়ন্ত ছবি অর্থাৎ ভিডিও আপলোড করে দিলে কি হয়? তাহলে ভিডিওতে যা আছে তা হলোগ্রাফিক হয়ে মুভমেন্ট শুরু করবে?
অনিক রিস্ক নেওয়ার সাহস পেল না। বাবা বলেই দিয়েছে এই যন্ত্রের কার্যক্ষমতা শুধু বাবার উদ্ভাবক বন্ধুই বলে দিতে পারে। আগামীকাল বাবাকে ফোন দিয়ে বন্ধুর কাছ থেকে জেনে নিতে বলতে হবে। শুধু তাই নয়, একসাথে দুটো তিনটে ছবিও আপলোড করা যাবে কিনা সেটাও জানতে হবে।
না জেনেশুনে নিজে থেকেই কিছু দেওয়া ঠিক হবে না। আর আগামীকাল সারাদিন ওই ম্যানুয়ালে লেখাগুলো নিয়েও গবেষণা করবে। ওর থেকে যন্ত্রটা এখন কাজ যখন করছে আরেকটা ছবি আপলোড দিয়ে দেখা যাক।
অনিক বুঝতে পারল না, প্রজেকশনে তার ছবি থাকা অবস্থায় আরেকটা ছবি আপলোড দিবে নাকি নতুন আবার শুরু করবে?
ফেসবুক ফ্রেন্ড মানহার প্রতি একটা দুর্নিবার টানের কারণে অনিকের মনে হলো বাস্তব জীবনে মানহার সাথে হয়তো কখনো দেখাই হবে না, ভাব ভালোবাসা তো দূরের কথা। এখানে এই হলোগ্রাফিক ইমেজের মাধ্যমে এক রুমে হলে তো ভালোই হয়। (চলবে)
চৌষট্টি.অনিক মজা করার জন্য প্রজেকশনের অংশটা অতি সাবধানে একটু নাড়াচড়া করল। ঘরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা অনিকের হলোগ্রাফিক ইমেজটাও একটু দুদিকে নড়ল। যেন মনে হলো ওটা...
