জানি, তোমরা বিভিন্ন ধরনের ফল খাও। হয়তো লটকনও খেয়ে থাকবে। লটকনগাছও হয়তো তোমাদের কেউ কেউ চিনে থাকবে। এ গাছ কেমন? ছায়াপ্রেমী বেঁটে আকারের। লম্বা হয় ছয় থেকে আট মিটার পর্যন্ত। বসন্তকালে লটকন-গাছের প্রধান কা- ও মোটা মোটা ডালের গা থেকে থোকা থোকা ক্ষুদ্র ফুল ফোটে। ফল পাকে কখন? জুন ও জুলাই মাসে। তার মানে এখন লটকন পাকার মওসুম শুরু হয়েছে। লটকন ফল দেখতে কেমন? সুগোল; বলতে পারো অনেকটা মার্কেলের মতো। এর কোসা শক্ত, মসৃণ, চকচকে ও পুরু। কাঁচা লটকন সবুজ রঙের। পাকলে হালকা হলুদ রঙ ধারণ করে। লটকন একটি জংলি ফল। বাংলাদেশের সব এলাকায়ই এটি কমবেশি পাওয়া যায়। টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, গাজীপুর, কুড়িগ্রাম, নরসিংদী ও লালমনিরহাটে লটকন চাষ হয় বাণিজ্যিকভাবে।
তোমরা ইতোমধ্যে জেনেছ, আম, জাম প্রভৃতি ফলের পাশাপাশি এখন চলছে লটকনের মওসুম। তোমরা এ ফলের খোসা ছাড়িয়ে খাও, তাই না? ভেতরে তিন-চারটি বীজ থাকে কোয়ার মতো। আর চার পাশে থাকে অনেকটা লিচুর মতো আঁশ। দুই ধরনের বা দুই রঙের শাঁস রয়েছে- গোলাপি বা লাল এবং সাদা। গোলাপি বা লালচে শাঁস টক। পাকলে এটি হয় রসালো, অম্লমধুর ও সুমিষ্ট গন্ধযুক্ত। সাদা শাঁসের স্বাদ মিষ্টিটক ও মুখরোচক। লটকন বেশ পুষ্টিকর। এতে রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও লৌহ। এ ছাড়া আছে সব ধরনের ভিটামিন।
চারটি লটকনই আমাদের দেহের প্রতিদিনের ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করতে পারে। এ ফল রুচি বাড়ায় ও বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে। । মনে রেখো, লটকনের ইংরেজি ইঁৎসবংব মৎধঢ়ব.