আটষট্টি.
অন্য ঘরে চার্জার লাইট আছে। কিন্তু এখন রুমের দরজা খুলে চার্জার লাইট আনার মতো সাহস হচ্ছে না। অনিক শুয়ে পড়বে কিনা ভাবছিল। বেডের ওপর এত জিনিসপত্র রাখা হয়েছে ওখানে শুতে গেলে আগে সবকিছু সরাতে হবে। বেডের ওপর মোবাইল টর্চের আলো ফেলতেই ওইজা বোর্ডের ওপর গিয়ে পড়ল এবং দেখতে পেল ওইজা বোর্ডের ইয়েস লেখা ঘরের বাটনটা আপনাআপনি তিরতির করে নড়ছে। তার মানে এই ঘরে এখন কোনো অশুভ আত্মা বিরাজ করছে। অনিকের অন্তর কেঁপে উঠল। ওইজা বোর্ডটাকে ধরে সরিয়ে দেবে সেই সাহসটুকু হলো না। কি করা যায় ভাবতে লাগল। ইলেকট্রিসিটি চলে যাওয়ার সাথে সাথেই হলোগ্রাফিক যন্ত্রটা দুম করে অফ হয়ে গেছে। ল্যাপটপের ব্যাটারি আগে থেকেই নষ্ট ছিল। চার্জে দিয়েই চালাতে হতো। ল্যাপটপও বন্ধ হয়ে গেছে সাথে সাথেই।
হঠাৎ অনিকের মনে একটা কুডাক ডাকতে লাগল। আব্বুর পাঠানো এই হলোগ্রাফিক যন্ত্রটার সাথে কোনো স্টাবিলাইজার বা পাওয়ার ব্যাংক দেওয়া ছিল না। যন্ত্রটা ফাংশনিং অবস্থায় হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে গেছে। ট্রান্সফর্মার বাস্টের প্রভাবে বিদেশী সফোসটিকেড যন্ত্রটা যদি অকেজো হয়ে যায়? ওইসব দেশে তো আর হুটহাট করে ইলেকট্রিসিটি চলে যায় না। আচ্ছা, যন্ত্র থেকে বানানো সেই হলোগ্রাফিক ইমেজগুলোর কি হয়েছে?
(চলবে)
আটষট্টি.অন্য ঘরে চার্জার লাইট আছে। কিন্তু এখন রুমের দরজা খুলে চার্জার লাইট আনার মতো সাহস হচ্ছে না। অনিক শুয়ে পড়বে কিনা ভাবছিল। বেডের ওপর এত...
